স্বপ্নের নগরী কল্যাণী সেভাবে বেড়ে উঠল কই!
কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
দিন কয়েক আগেই প্রকাশিত হয়েছিল হেমন্ত বিশেষ সংখ্যা। শতবর্ষে কিংবদন্তী শিল্পীকে বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি। বেঙ্গল টাইমসে এবার প্রকাশিত হবে নতুন ই ম্যাগাজিন। এবার কিংবদন্তী চিকিৎসক ও বাংলার নব রূপকার বিধানচন্দ্র রায়ের স্মরণে থাকবে বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় লেখা। বিধান রায়ের চিকিৎসক ও প্রশাসক জীবনের অনেক না জানা কথা তুলে ধরা হবে নানা আঙ্গিক থেকে।
তিন মাসের ওপর গৃহবন্দি। এমন সময় জঙ্গলের হাতছানিতে সাড়া দিলে কেমন হয়! সরকারি তরফে বাধা নেই। যাবতীয় সুরক্ষা বিধি মেনে আয়োজনও আছে। দু তিনদিনের ছোট্ট সফরে পাড়ি দিতেই পারেন সুন্দরবনে।
সেদিনই এই লাগামহীন গাজোয়ারিতে সেদিন সিলমোহর দেওয়া হয়েছিল। গায়ের জোরে পঞ্চায়েত দখল করলে তার পরিনাম কী হতে পারে, সেদিন বোঝেননি? যাঁরা লাঠি নিয়ে অন্যকে প্রার্থী দিতেই দিল না, তাদের কাছে স্বচ্ছ প্রশাসনে প্রত্যাশা করেন কীভাবে? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
বেসরকারি বাসমালিকদের নাকি মাসে পনেরো হাজার টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে। আপাতভাবে ভাল সিদ্ধান্ত। কিন্তু কারা বাস চালাচ্ছেন, কারা চালাচ্ছেন না, কে তদারকি করবে! সেই সদিচ্ছা, সেই মেশিনারি আছে! ফলে, এখানেও হয়ত আমফানের মতোই হবে। যাঁরা বাস চালালেন না, তাঁদের অ্যাকাউন্টেই টাকা ঢুকে গেল। নতুন দুর্নীতির দরজা খুলে গেল। এর থেকে অনেক সহজ সমাধান ছিল দু তিন টাকা ভাড়া বাড়ানো। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।
মুশকিলটা হল, কোথায় থামতে হয়, এই পরিমিতি বোধটা অনেকেই হারিয়ে ফেলেন। ছোটবেলায় পরীক্ষায় প্রশ্ন আসত, অমুক সম্পর্কে যাহা জানো লিখো। সেই যাহা জানো, লিখো–র রোগ থেকে তন্ময়বাবুরা বেরিয়ে আসতে পারছেন না। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলার মতো হাজারটা বিষয় আছে। অন্যান্য ভিডিওতে বলুন। কিন্তু চীনা পণ্য নিয়ে শুরু করে তাপসী মালিকে আসার কোনও যুক্তি বা সামঞ্জস্য খুঁজে পেলাম না।ওপেন ফোরামে লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
মন্দির থেকে মাছের বাজার, মদের দোকান থেকে বাস। সবই খোলা থাকবে। লোক গিজগিজ করবে। তাতে ক্ষতি নেই। মানুষ নির্জন পাহাড়ে বেড়াতে গেলেই যত আপত্তি। যেন বাইরে গেলেই সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবে। এ এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা। ওপেন ফোরামে লিখেছেন তমাল সেনগুপ্ত।
মহমেডানের সচিব হতে চলেছেন দীপেন্দু বিশ্বাস। কলকাতা ফুটবলে বড় একটা পরিবর্তন আসতে চলেছে মহমেডানের হাত ধরেই। খেলোয়াড়দের প্রশাসনে আনার কথা শোনা যায়। কিন্তু দুই প্রধানের কর্তারা কিছুতেই পদ ছাড়তে চান না। না বোঝেন ফুটবল, না পারেন স্পন্সর আনতে। দীপেন্দু সচিব হলে, এবার দুই প্রধানেও ফুটবলারদের প্রশাসনে আনার দাবি জোরালো হতে পারে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
বাংলা মিডিয়ার মগজে সত্যিই কারফিউ। রাজিন্দার গোয়েল চলে গেলেন। উৎপল চ্যাটার্জির কথা কারও মনে পড়ল না!