চীনা পণ্য নিয়ে বলতে শুরু করে হঠাৎ রিজওয়ানুর‌!‌

মুশকিলটা হল, কোথায় থামতে হয়, এই পরিমিতি বোধটা অনেকেই হারিয়ে ফেলেন। ছোটবেলায় পরীক্ষায় প্রশ্ন আসত, অমুক সম্পর্কে যাহা জানো লিখো। সেই যাহা জানো, লিখো–‌র রোগ থেকে তন্ময়বাবুরা বেরিয়ে আসতে পারছেন না। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলার মতো হাজারটা বিষয় আছে। অন্যান্য ভিডিওতে বলুন। কিন্তু চীনা পণ্য নিয়ে শুরু করে তাপসী মালিকে আসার কোনও যুক্তি বা সামঞ্জস্য খুঁজে পেলাম না।ওপেন ফোরামে লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

বেড়াতে গেলেই যত সংক্রমণ!‌

মন্দির থেকে মাছের বাজার, মদের দোকান থেকে বাস। সবই খোলা থাকবে। লোক গিজগিজ করবে। তাতে ক্ষতি নেই। মানুষ নির্জন পাহাড়ে বেড়াতে গেলেই যত আপত্তি। যেন বাইরে গেলেই সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবে। এ এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা। ওপেন ফোরামে লিখেছেন তমাল সেনগুপ্ত।

মহমেডানকে দেখে শিখুক দুই প্রধান

মহমেডানের সচিব হতে চলেছেন দীপেন্দু বিশ্বাস। কলকাতা ফুটবলে বড় একটা পরিবর্তন আসতে চলেছে মহমেডানের হাত ধরেই। খেলোয়াড়দের প্রশাসনে আনার কথা শোনা যায়। কিন্তু দুই প্রধানের কর্তারা কিছুতেই পদ ছাড়তে চান না। না বোঝেন ফুটবল, না পারেন স্পন্সর আনতে। দীপেন্দু সচিব হলে, এবার দুই প্রধানেও ফুটবলারদের প্রশাসনে আনার দাবি জোরালো হতে পারে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।