কোথায় হারিয়ে গেলেন মিঠু মুখার্জি?
স্বনামধন্য নায়িকা যাঁর আজ আর কোনও খোঁজ নেই। জন্মদিনে সেই মিঠু মুখার্জিকে নিয়ে কলম ধরলেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
স্বনামধন্য নায়িকা যাঁর আজ আর কোনও খোঁজ নেই। জন্মদিনে সেই মিঠু মুখার্জিকে নিয়ে কলম ধরলেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের শতবর্ষ। কী আশ্চর্য উদাসীনতা। প্রায় নি:শব্দেই দিনটা পেরিয়ে গেল। টিভি আর কাগজ মেতে রইল করোনা আর সীমান্তে যুদ্ধের হাওয়া তুলতে। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে এগিয়ে এল বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য কিংবদন্তি শিল্পীকে। পিডিএফ ফাইল আপলোড করা হল। ডাউনলোড করলেই অনায়াসে পড়তে পারবেন।
এভাবেই কত কালজয়ী গান তৈরি হয়েছে। কত ইতিহাস লুকিয়ে আছে সেইসব গানের পেছনে! এত বছর পরেও পুজো প্যান্ডেল থেকে বিয়েবাড়ি, রিয়েলিটি শো থেকে সিরিয়াল, মাঝে মাঝেই বেজে ওঠে সেইসব গান। ভাবতে গর্ব হয়, এইসব কালজয়ী গান আমার বাবা লিখেছেন! স্মৃতিচারণে গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য পুত্র পিয়াল বন্দ্যোপাধ্যায়।
দীর্ঘদিন বম্বেতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। খুব কাছ থেকে দেখেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মতো কিংবদন্তিকে। তাঁর সুরে বেশি কিছু গানও গেয়েছেন হেমন্ত। সুরকার অমিত দাশগুপ্তর স্মৃতিচারণে উঠে এল অনেক অজানা দিক। চিনতে পারবেন অন্য এক হেমন্তকে।
আমার গান রেকর্ড করা হয়ে গেছে। অনেকেই প্রশংসা করছেন। কিন্তু হেমন্তজেঠুর ক্যাসেটটা এর ফেরত দেওয়া হয়নি। ভেবেছিলাম, লোকের হাতে পাঠাব না। একদিন তাঁকে প্রণাম করে আমার রেকর্ডটি তাঁকে দিতে যাব। সেইদিনই ক্যাসেটটি ফেরত দেব। তারপর কী হল? জেনে নিন সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।
যাঁরা শুধু সুরকার, তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্যরকম। সলিল চৌধুরি, নচিকেতা ঘোষ বা সুধীন দাশগুপ্তরা নিজেরা গান গাইতেন না। ফলে, ভাল সুরগুলো কাউকে না কাউকে দিতেই হত। কিন্তু হেমন্তর ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্যরকম। তিনি নিজে গাইতে পারতেন, অথচ মহান সৃষ্টি হাসতে হাসতে তুলে দিচ্ছেন অন্যের হাতে। এর জন্য অনেক চওড়া হৃদয় লাগে। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।
বাংলা ছবিতে কিশোরের রবীন্দ্রসঙ্গীত! অনেকেই সত্যজিৎ রায়ের চারুলতার কথা বলবেন। কিন্তু তার অনেক আগে, লুকোচুরিতে তাঁকে দিয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইয়েছিলেন স্বয়ং হেমন্ত। কিশোর-হেমন্ত যুগলবন্দির নানা অজানা দিক তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।
কোন গানের জন্য হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে মনে রাখবেন? রবীন্দ্র সঙ্গীত ? বাংলা ছবির গান ? হিন্দি ছবির গান ? নাকি গণসঙ্গীত ? নাকি অসামানন্য সুরের জন্য? আসলে, হেমন্ত কখনই একটা নির্দিষ্ট ঘরানাতে আঁকড়ে থাকেননি। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।
আজ থেকে তিরিশ–চল্লিশ বছর আগে ছিল ক্যাসেটের জমানা। তখন প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘লিজেন্ডস অফ গ্লোরি’ নামে একটি ক্যাসেট থাকত। সম্ভবত বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই জনপ্রিয়তম ক্যাসেট। সলিল চৌধুরির সুরে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়েক কণ্ঠে দশটি গানের সংকলন। এই ক্যাসেটটি বাঙালির জীবনে ‘রসুন’ সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
কখন প্রথম প্লে ব্যাক করেন? প্রথম কখন রেকর্ড বেরোয়? কতগুলো বাংলা ও হিন্দি ছবিতে সুর করেন? এমন নানা প্রশ্নের জবাব জানা অজানা হেমন্ত। সংকলনে সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।