ঝটিকা সফরে ভুটান
নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে এলাম। সে কী আনন্দ! কী অদ্ভুত একটা রোমাঞ্চ সাতসকালে তাড়া করছে। সীমান্তের দুই পারে যেন দু’রকম ছবি। একদিকে জয়গাঁ এক ঘিঞ্জি শহর। অন্যদিকে ফুন্টশেলিং যেন ঝকঝকে–তকতকে। নিজের দেশের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, পরিচ্ছন্নতার নিরিখে ‘স্বচ্ছ ভারত’ যেন দশ গোল খাবে পুঁচকে ভুটানের কাছে।
কঠিন সময়ে চ্যালেঞ্জ নেওয়াটা জরুরি ছিল
সরকারের সমালোচনা করা খুব সহজ। ফেসবুকে মুখ্যমন্ত্রীকে বা প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করাও সহজ। কিন্তু কঠিন সময়ে সীমিত শক্তি, সীমিত সামর্থ্য নিয়েও কিছু ইতিবাচক ছাপ রাখা যেত। তার কতটুকু করা গেল? রাষ্ট্র পারল না, রাজ্য সরকার পারল না। শূন্য আসন পাওয়া একটা দল পরিযায়ীদের তালিকা তৈরি করতে পারত। তাঁদের কাছে সীমিত সামর্থ্য নিয়ে পৌঁছতে পারত। এই কঠিন সময়ে এই চ্যালেঞ্জটা নেওয়া খুব জরুরি ছিল। কিন্তু বাম নেতৃত্ব আবার পিছিয়ে গেলেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
এই সময়ের চোখে কিশলয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ
লকডাউনের মধ্যেই যে রেবা চালাঘরে থাকে, তার ঘরের চালা উড়ে যায় আম্ফান ঝড়ে কিংবা আজকের কোনও এক অর্জুন সর্দার মাছ ধরার আশায় দেখে সুন্দরবনের বেশিরভাগ বাঁধগুলোতে ফাটল ধরেছে। আশঙ্কায় হিম হয়ে যাওয়া আজকের অর্জুনরা আজও গাঁয়ের দিকে ছোটে আর চিৎকার করে বলে, ‘বাঁধ ভাঙছে, ঠেকাতে হবে, চলো সবাই’। সেদিনের কিশলয় আর আজকের লকডাউন, আম্ফানকে মেলালেন অরিন্দম অধিকারী।
