যেমন উত্তরবঙ্গে দুই সাংসদকে বাম শিবির থেকে ভাঙিয়ে এনে টিকিট দেওয়া হয়েছে। টিকিট না পেলে তাঁরা যেতেই পারেন। দক্ষিণবঙ্গে এমন অন্তত পাঁচ–ছজন তো আছেনই, যাঁরা টিকিট পেলে থেকে যাবেন। কিন্তু না পেলেই অন্য শিবিরে ভিড়ে যাবেন। এই কারণেই হয়ত ইচ্ছে না থাকলেও তাঁদের টিকিট দিতে হবে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে, সৌমিত্র বা অনুপমরা তাঁদের এই যাত্রায় হয়ত বাঁচিয়ে দিলেন।
এবার চাইলে ট্রেনেও পছন্দমতো আসন বেছে নিতে পারেন। জানালার ধারে কটি সিট খালি আছে, আপনি কোনটায় বসতে চান, একসঙ্গে তিন–চারজন থাকলে বসার বিন্যাস কেমন চাইছেন, সবই আপনার হাতে। এমনকী স্লিপার, এসি থ্রি, এসি টু–এর ক্ষেত্রেও এই সুবিধা পাওয়া যাবে। দ্রুত এই পরিষেবা আনছে ভারতীয় রেল।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিত নিজেকে চিনিয়ে দিলেন পুজারা। তাঁর গায়ে টেস্ট খেলোয়াড়ের তকমা কিছুটা জোর করেই এঁটে দেওয়া হয়েছে। অথচ, এই পুজারাই ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপে যথেষ্ট কার্যকরী হয়ে উঠতে পারেন। লিখেছেন সুগত রায় মজুমদার।
দাদার কীর্তির শুটিং হয়েছিল কোথায় ? ঠিক ধরেছেন, শিমূলতলায়। একসময় এই শিমূলতলাই ছিল বাঙালির কাছে ‘পশ্চিম’। হাওয়া বদল করতে ভিড় জমাতেন অনেকে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে এখনও সে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। সেই ডাকে সাড়া দেবেন না ? তার আগে শান্তনু ব্যানার্জির এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন।।
নিজের কেন্দ্র বিষ্ণুপুরে তিনি অভিষেক ব্যানার্জিকে দাঁড়াতে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। ওটা যে সংরক্ষিত আসন, ওখানে যে অভিষেক চাইলেও দাঁড়াতে পারবেন না, এই জ্ঞানটুকুও সৌমিত্র খানদের নেই। এইসব লোককে কিনা এম পি করে পাঠানো হয়েছিল। যারা পাঠিয়েছিল, এই মূর্খামির দায় তাদের নয়? লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।
পড়ায় মনোযোগ নেই বলে বাবা মাঝে মাঝে ধমক দিচ্ছেন। একদিন হঠাৎ প্রাত্যহিকীর সঞ্চালক আমার নাম ঘোষণা করলেন। আমি আবেগে হাততালি দিয়ে উঠলাম। বাবা বুঝতে পারলেন কেন আমি রেডিওর সামনে বসে থাকতাম। বাবা খুব রাশভারী মানুষ। মন দিয়ে পুরো চিঠিটা শুনলেন। চিঠি শেষ হওয়ার পর আবার আমার নাম ঘোষণা হল। বাবার চোখের কোণে জল।স্মৃতির সরণি বেয়ে এমনই মুহূর্ত তুলে আনলেন শৈলেন মণ্ডল।।
সংরক্ষণে কি দেশের গৌরব বাড়ে? যত সংরক্ষণ, তত বেশি পিছিয়ে থাকা। এই সহজ সত্যিটা কোনও দলই বুঝতে চাইছে না। বিজেপি সংরক্ষণের তাস ফেলতে চাইল। সায় দিয়ে ফেলল তামাম বিরোধীরাও! ভোট বড় বালাই। এ দেশটা আর সাবালক হল না। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বপ্নের নায়ক। তাঁকেই কিনা পাওয়া গেল হাতের সামনে! সেই প্রথম দেখা। ঠিক চিনে গেলেন। কৃশাণু দে সম্পর্কে এমনই এক অনুভূতি উঠে এল স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে।
একটি মোক্ষম দিকে আলো ফেলেছেন সৌমিত্র খাঁ। বিষ্ণুপুরের এসডিপিও নাকি লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। সেই কারণেই বর্তমান সাংসদ সৌমিত্রকে হেনস্থা করা হচ্ছে। সৌমিত্ররই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে বাকিদের কী অবস্থা হতে পারে! মাঝের স্তরের পুলিস কর্তারা কীভাবে কাজ করছেন, কতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন, সেটা ফের পরিষ্কার হয়ে গেল।লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।
শঙ্করলাল না হয় ভদ্রলোক। আত্মমর্যাদা সম্পন্ন কোচ। তাই তিনি নিজেই সরে দাঁড়ালেন। কিন্তু ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়নি তো? মানে মানে তুমি ছেড়ে দাও, নইলে তোমাকে ছাঁটাই করতে হবে, এরকম কোনও আগাম বার্তা দেওয়া হয়নি তো? শঙ্কর যদি পদত্যাগ করতেও চান, তাঁকে বোঝানো গেল না? তাঁকে তো বলাই যেত, এই মরশুমে তুমিই কোচ থাকবে। যদি বদল করতেই হয়, সামনের মরশুমে ভাবা যাবে।