বাবার দেওয়া একশো টাকা

পড়ায় মনোযোগ নেই বলে বাবা মাঝে মাঝে ধমক দিচ্ছেন। একদিন হঠাৎ প্রাত্যহিকীর সঞ্চালক আমার নাম ঘোষণা করলেন। আমি আবেগে হাততালি দিয়ে উঠলাম। বাবা বুঝতে পারলেন কেন আমি রেডিওর সামনে বসে থাকতাম। বাবা খুব রাশভারী মানুষ। মন দিয়ে পুরো চিঠিটা শুনলেন। চিঠি শেষ হওয়ার পর আবার আমার নাম ঘোষণা হল। বাবার চোখের কোণে জল।স্মৃতির সরণি বেয়ে এমনই মুহূর্ত তুলে আনলেন শৈলেন মণ্ডল।।

সংরক্ষণের সস্তা হাততালি থেকে এদেশের মুক্তি নেই

সংরক্ষণে কি দেশের গৌরব বাড়ে?‌ যত সংরক্ষণ, তত বেশি পিছিয়ে থাকা। এই সহজ সত্যিটা কোনও দলই বুঝতে চাইছে না। বিজেপি সংরক্ষণের তাস ফেলতে চাইল। সায় দিয়ে ফেলল তামাম বিরোধীরাও!‌ ভোট বড় বালাই। এ দেশটা আর সাবালক হল না। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

স্বপ্নের নায়ক হাতের সামনে!

স্বপ্নের নায়ক। তাঁকেই কিনা পাওয়া গেল হাতের সামনে!‌ সেই প্রথম দেখা। ঠিক চিনে গেলেন। কৃশাণু দে সম্পর্কে এমনই এক অনুভূতি উঠে এল স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে।