রেলে নাকি বিমানের মতো নিরাপত্তা দেওয়া হবে। অন্তত কুড়ি মিনিট আগে স্টেশনে যেতে হবে। কুড়ি মিনিট কেন, দু’ঘণ্টাতেও পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। নিরাপত্তার কড়াকড়িতে যাঁরা ট্রেন মিস করবেন, তাঁদের বিক্ষোভ রেল সামলাতে পারবে তো? ভাঙচুর অনিবার্য। এই নিয়ম বাধ্য হয়েই ফিরিয়ে নিতে হবে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
এবার কলকাতাতেই পিসি সরকারের (জুনিয়র) ম্যাজিক দেখার সুযোগ। সল্টলেক ই জেড সি সি–তে। ২৩ থেকে ২৭ জানুয়ারি, টানা পাঁচদিন, বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। টিকিট পাওয়া যাচ্ছে ই জেড সি সি চত্বরে।
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। একটা সমীক্ষা করুন, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। খাস কলকাতায় হাজারে একজনও পাবেন কিনা সন্দেহ। এই হল রবি ঠাকুরের প্রতি বাঙালির ভালবাসার নমুনা। লিখেছেন সজল মুখার্জি ।।
বাঙালি যেখানে যায়, নিজের মতো করে নাম রেখে আসে। তেমনই একটি জায়গা রাবাংলা। যার সঙ্গে বাংলার কোনও সম্পর্কই নেই। সেই রাবাংলা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন। এই শীতে ঘুরে আসতেই পারেন।
শিলিগুড়ি মোটেই কোনও পর্যটন কেন্দ্র নয়। দার্জিলিং বা সিকিম যাওয়ার পথে সেখানে নামতে হয়। ফেরার সময় সেখান থেকে ট্রেন ধরতে হয়। ব্যাস, তার গুরুত্ব এটুকুই। শুধু কয়েক ঘণ্টার টয় ট্রেন চাপার জন্য কেউ একটা দিন শিলিগুড়িতে নষ্ট করতে চাইবেন না। তাই শিলিগুড়ি থেকে টয় ট্রেনের ইভিনিং সাফারি চালু হলেও তা তেমন সাড়া ফেলবে না। এমনটাই লিখেছেন বিরাট ভদ্র।
মহম্মদ আলতাফ। প্রতিবছর শাল নিয়ে আসেন কাশ্মীর থেকে। জড়িয়ে গেছেন কলকাতার সুখ দুঃখের সঙ্গেও। শীতের কলকাতায় তিনিও এক অতিথি। সেই জীবনযাপন ও অনুভূতি উঠে এল স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে। তাঁর বকলমে সেই চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা টিপিক্যাল ভ্রমণ কাহিনী নয়। একেবারে ভিন্নস্বাদের বেড়ানোর গল্প। বেঙ্গল টাইমসে পড়ুন। আপনিও লিখুন। চেনা ছকে নয়, একেবারে আপনার নিজের মতো করে লিখুন।