দলত্যাগী বিধায়কের সাফাই, কাজ করতে পারছিলেন না। অর্থাৎ, বিরোধী বিধায়ক থাকলে কাজ করা যায় না। তাঁর কথাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ওসি থেকে বিডিও, এসপি থেকে ডিএম তাঁকে পাত্তা দেন না। এটা একটা সরকারের কাছে ভাল বিজ্ঞাপন? দলত্যাগের মুহূর্তে অন্তত এই মোক্ষম সত্যিটা তুলে ধরলেন মুর্শিদাবাদের দলত্যাগী বিধায়ক। লিখেছেন অনির্বাণ বসু।
দিন দিন প্রচণ্ড অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। পরিষ্কার বুঝতে পারছি, ওর পড়ায় মন নেই। বাথরুমেও যায় ফোন নিয়ে। খেতে বসে খাওয়ার দিকেও মন থাকে না। এতটাই অ্যাডিক্টেড হয়ে গেছে, এক মুহূর্তও ফোন ছাড়া থাকতে পারছে না। সোশাল সাইট আসক্তি নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ উঠে এল নিবেদিতা পালের কলমে।
রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি ধরা মানে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা। প্রায় সবার কাছেই আপনি ‘না’ শোনার জন্য তৈরি থাকুন। বোঝাই যায়, ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। ওপেন ফোরামে এমনই অভিজ্জতার কথা লিখেছেন মলয় সাহা।।
কোথায় আছেন মজিদ বাসকার? এখন কী করছেন? কত প্রশ্ন, কত কৌতূহল তাঁকে ঘিরে। বছরের পর বছর হন্যে হয়ে খুঁজেছে কলকাতার মিডিয়া। অবশেষে ধরা দিলেন সেই মজিদ। কী কী বললেন? উঠে এল মিডিয়া সমাচারে।
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
শিক্ষকদের মোবাইলের নেশা সংক্রমিত হচ্ছে ছাত্রদের মধ্যেও। অধিকাংশই মোবাইলে মগ্ন। মোবাইল ছাড়া দশ মিনিটও অনেকে থাকতে পারেন না। শিক্ষকরাই যদি এত আসক্ত হয়ে পড়েন, ছাত্রদের দোষ দিয়ে লাভ কী? জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
পাহাড়ে বিনয় তামাংদের না আছে সংগঠন। না আছে স্বতন্ত্র অস্তিত্ব। তাঁদের জিটিএ ছাড়া হয়েছে। বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, এর বেশি ভাবতে যেও না। যা প্রাপ্য, তার থেকে অনেক বেশি কিছু দেওয়া হয়েছে। বামন হয়ে চাঁদে হাত দিতে যেও না। লোকসভার স্বপ্নও দেখো না। এতদিন পরেও এই সহজ সত্যিটা যদি বিনয় তামাংরা না বুঝে উঠতে পারেন, তাহলে বুঝতে হবে তাঁদের রাজনৈতিক বোধবুদ্ধি এখনও পরিণত হয়নি।
মানুষ নাকি বামেদের সঙ্গে নেই। তাহলে তো উপেক্ষা করলেই হত। সরকারি কর্মীদের এত ফর্মান জারি করতে হত না। দলীয় বাহিনীকে রাস্তায় নামাতে হত না। আর পুলিসকেও বন্ধ ভাঙতে এত অতি সক্রিয় হতে হত না। তিনি নাকি বিজেপির বিরুদ্ধে। অথচ, বিজেপির বিরুদ্ধে ডাকা বন্ধ ব্যর্থ করতে তাঁর কত তৎপরতা! লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
হঠাৎ বইমেলা পিছিয়ে গেল কেন? গিল্ডের পক্ষ থেকে যে দুটি কারণ বলা হচ্ছে, এর কোনওটাই বিশ্বাসযোগ্য নয়। আসল ঘটনা আড়াল করছেন গিল্ড কর্তারা। নিশ্চিত থাকতে পারেন, ওই দিন মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় থাকবেন না। সেই কারণেই হয়ত পিছিয়ে দেওয়া হল উদ্বোধন। গিল্ড কর্তারা এই সত্যিটা স্বীকার করবেন না। পরে ঠিক মিলিয়ে নেবেন।
‘মহান কবি’র কথা ভেবে সত্যিই বড় করুণা হয়। এগুলো যে কোনও কবিতাই নয়, এগুলো পড়ে লোকে হাসাহাসি করে, এই সহজ সত্যিটা তাঁকে বলার মতো কোনও শুভাকাঙ্খী নেই। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।