মজিদ বাসকারের সন্ধান পাওয়া গেল। তারপরেও কলকাতার মিডিয়া জগৎ কার্যত উদাসীন থেকে গেল। একটি কাগজে বেরিয়েছে, অতএব বাকিরা চেপে গেলেন। আসলে, নিজেদের দেউলিয়াপনাই আবার প্রকাশ করে ফেললেন। বেঙ্গল টাইমসের মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়েই লিখলেন সরল বিশ্বাস।।
পাশে আশা ভোসলের মতো কিংবদন্তি বসে আছেন। কারও কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই! কারও মধ্যে কোনও রোমাঞ্চ নেই! সবাই দিব্যি মোবাইলে খুচুর খুচুর করে চলেছেন! আশাজির সঙ্গে ঘোরেন বলে দুনিয়ায় ফাটিয়ে বেড়ান। অথচ, সেই আশাজিকেই এই উপেক্ষা!
শোভা মণ্ডলের দুটি কবিতা সন্ধ্যা মালতী অন্তিম প্রহরে জন্ম আমার ভোরের আলোয় ফোটা ফুল নই অস্তরাগের সন্ধ্যা–মালতী চাঁদের আলোয় স্নাত হই। ষোড়শীর পায়ে চলি না আমি চলন আমার ভারী...
একদিকে ব্রিগেডের লাগাতার প্রচার। অন্যদিকে, দাড়িভিটের সভা নিয়ে সীমাহীন উপেক্ষা। দিনের শেষে যদি পাশাপাশি দুটো ছবি ছাপা যায়! ব্রিগেডের ভিড়টা হয়ত বেশি। উপেক্ষার দাড়িভিটের কাছে ঢক্কা নিনাদের ব্রিগেডকে সত্যিই বড় ম্লান মনে হত। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
সত্যিই কি ব্রিগেড ‘ঐতিহাসিক’ হয়ে উঠল? এত কোটি কোটি খরচ, এত প্রচারের ঢক্কা নিনাদ, তারপরও এমন করুণ দশা কেন? ওপর থেকে তোলা ছবিগুলো যেন আসল সত্যিটা বুঝিয়ে দিয়ে গেল। মিডিয়ার ফাঁপানো প্রচার যে বাস্তব থেকে কতটা দূরে, তা ফের বুঝিয়ে দিল এই মূষিক প্রসবের ব্রিগেড। লিখেছেন ধীমান সাহা।
তা হলে এই নেতাদের উদ্দেশ্য, আসন্ন নির্বাচনে কি বিজেপি–র পথ সুগম করা? জনগণ পরিষ্কার বুঝতে পারবেন, এই জোটের উদ্দেশ্য বিজেপি–কে হটানো নয়, বিজেপি–র বাধা সরিয়ে দেওয়া। কেন এই প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেল না, একের বিরুদ্ধে এক জোট। সর্বসম্মতিক্রমে কেন একের বিরুদ্ধে এক এই জোট হল না? লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।
আগে শুনতাম, ড্রাইভারদের নানা রকম প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিভিন্ন রাস্তা চেনে কিনা, পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু এখন দেখছি, অধিকাংশ গাড়ি চালাচ্ছেন অবাঙালিরা। শুরু থেকেই আপনাকে হিন্দিতে কথা বলতে হবে। এবং সবচেয়ে যেটা ভয়ঙ্কর, অধিকাংশ ড্রাইভার কলকাতার রাস্তাঘাট সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানেন না। জটিল জায়গা তো দূরের কথা, সাধারণ জায়গাগুলোই চেনেন না।
ব্রিগেডে যত বড় জমায়েতই হোক, বিজেপির বিরুদ্ধে যত হুঙ্কারই শোনা যাক, কিন্তু এদের বিশ্বাসযোগ্যতা কতটা? বিজেপি ২০০–র কাছাকাছি গেলে এদেরই অনেকে সেই শিবিরে ঠাঁই পাওয়ার জন্য লাইন দেবে। এমনকী যিনি সভার উদ্যোক্তা, তিনিও হয়ত অক্সিজেন দেওয়ার কাজটাই করবেন। লিখেছেন রাতুল পাত্র।
সহজ কথা, সংখ্যা আছে, তাই তৃণমূলের গুরুত্ব আছে। সংখ্যা না থাকলে এই গুরুত্ব থাকত না। সংখ্যা আছে বলেই কংগ্রেস রেয়াত করে। সংখ্যা আছে বলেই বিজেপি সব তদন্তকে শীতঘুমে পাঠিয়ে দরজা খোলা রাখে। বার্তা–টার্তা কিছুই নয়। ব্রিগেডের মঞ্চ আসলে ছিল শক্তি জাহিরের মঞ্চ। তবু মিডিয়া কেন যে নতুন বার্তা খুঁজে বেড়ায়! লিখেছেন শান্তনু দাম।
শিলচরে কবিকে হেনস্থা করা হল। উদ্বেগ্ন মুখ্যমন্ত্রী ফোন করলেন, খোঁজ নিলেন। শ্রীজাত ধন্যবাদ জানাতেই পারেন। কিন্তু বলে বসলেন, এই বাংলায় বাক স্বাধীনতা আছে। এতবড় সার্টিফিকেট দেওয়াটা বোধ হয় একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। একটু বেসুরো গাইলেই বুঝবেন, এই বাংলাতেও তাঁর বাক স্বাধীনতা নেই। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।