প্রহসনের চেহারা ফের বুঝিয়ে দিল কেশিয়ারি

এত চেষ্টা করেও কেশিয়ারিতে কাউকে ভাঙানো গেল না। সেই দুঃখে আবার বোর্ড গঠন স্থগিত। প্রশাসনের ব্যাখ্যা, আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। তার মানে, তৃণমূল হারলেই আইন শৃঙ্খলার সমস্যা হয়!‌ শাসক দলের কাছে এটা কতটা লজ্জার, তা বোঝার মতো বুদ্ধি কি তাঁদের আছে!‌ লিখেছেন অজয় কুমার।

ব্রিগেড কাঁপাতে ভরসা থাকুক নতুন মুখে

ব্রিগেডে কারা বক্তা হবেন?‌ নানা মহলেই চলছে আলোচনা। এবার যদি নতুন চমক দেওয়া যায়!‌ সুধাকর রেড্ডি, নরেন চ্যাটার্জি, বিমান বসুদের বদলে যদি কানহাইয়া কুমার, আলি ইমরান (‌ভিক্টর)‌, শতরূপ ঘোষদের তুলে ধরা হয়! সিনিয়ররা মঞ্চে থাকুন। কিন্তু বক্তা হিসেবে‌ এই তরুণ তুর্কিরা কিন্তু ব্রিগেড জমিয়ে দিতে পারেন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

মজিদের হদিশ পেয়েও এই উদাসীনতা কেন?‌

মজিদ বাসকারের সন্ধান পাওয়া গেল। তারপরেও কলকাতার মিডিয়া জগৎ কার্যত উদাসীন থেকে গেল। একটি কাগজে বেরিয়েছে, অতএব বাকিরা চেপে গেলেন। আসলে, নিজেদের দেউলিয়াপনাই আবার প্রকাশ করে ফেললেন। বেঙ্গল টাইমসের মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়েই লিখলেন সরল বিশ্বাস।।

এই উপেক্ষা কি আশাজির প্রাপ্য!‌

পাশে আশা ভোসলের মতো কিংবদন্তি বসে আছেন। কারও কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই!‌ কারও মধ্যে কোনও রোমাঞ্চ নেই!‌ সবাই দিব্যি মোবাইলে খুচুর খুচুর করে চলেছেন!‌ আশাজির সঙ্গে ঘোরেন বলে দুনিয়ায় ফাটিয়ে বেড়ান। অথচ, সেই আশাজিকেই এই উপেক্ষা!‌

দুটি কবিতা

শোভা মণ্ডলের দুটি কবিতা   সন্ধ্যা মালতী অন্তিম প্রহরে জন্ম আমার ভোরের আলোয় ফোটা ফুল নই অস্তরাগের সন্ধ্যা–‌মালতী চাঁদের আলোয় স্নাত হই। ষোড়শীর পায়ে চলি না আমি চলন আমার ভারী...