আগে শুনতাম, ড্রাইভারদের নানা রকম প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিভিন্ন রাস্তা চেনে কিনা, পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু এখন দেখছি, অধিকাংশ গাড়ি চালাচ্ছেন অবাঙালিরা। শুরু থেকেই আপনাকে হিন্দিতে কথা বলতে হবে। এবং সবচেয়ে যেটা ভয়ঙ্কর, অধিকাংশ ড্রাইভার কলকাতার রাস্তাঘাট সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানেন না। জটিল জায়গা তো দূরের কথা, সাধারণ জায়গাগুলোই চেনেন না।
ব্রিগেডে যত বড় জমায়েতই হোক, বিজেপির বিরুদ্ধে যত হুঙ্কারই শোনা যাক, কিন্তু এদের বিশ্বাসযোগ্যতা কতটা? বিজেপি ২০০–র কাছাকাছি গেলে এদেরই অনেকে সেই শিবিরে ঠাঁই পাওয়ার জন্য লাইন দেবে। এমনকী যিনি সভার উদ্যোক্তা, তিনিও হয়ত অক্সিজেন দেওয়ার কাজটাই করবেন। লিখেছেন রাতুল পাত্র।
সহজ কথা, সংখ্যা আছে, তাই তৃণমূলের গুরুত্ব আছে। সংখ্যা না থাকলে এই গুরুত্ব থাকত না। সংখ্যা আছে বলেই কংগ্রেস রেয়াত করে। সংখ্যা আছে বলেই বিজেপি সব তদন্তকে শীতঘুমে পাঠিয়ে দরজা খোলা রাখে। বার্তা–টার্তা কিছুই নয়। ব্রিগেডের মঞ্চ আসলে ছিল শক্তি জাহিরের মঞ্চ। তবু মিডিয়া কেন যে নতুন বার্তা খুঁজে বেড়ায়! লিখেছেন শান্তনু দাম।