একদিকে ব্রিগেডের লাগাতার প্রচার। অন্যদিকে, দাড়িভিটের সভা নিয়ে সীমাহীন উপেক্ষা। দিনের শেষে যদি পাশাপাশি দুটো ছবি ছাপা যায়! ব্রিগেডের ভিড়টা হয়ত বেশি। উপেক্ষার দাড়িভিটের কাছে ঢক্কা নিনাদের ব্রিগেডকে সত্যিই বড় ম্লান মনে হত। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
সত্যিই কি ব্রিগেড ‘ঐতিহাসিক’ হয়ে উঠল? এত কোটি কোটি খরচ, এত প্রচারের ঢক্কা নিনাদ, তারপরও এমন করুণ দশা কেন? ওপর থেকে তোলা ছবিগুলো যেন আসল সত্যিটা বুঝিয়ে দিয়ে গেল। মিডিয়ার ফাঁপানো প্রচার যে বাস্তব থেকে কতটা দূরে, তা ফের বুঝিয়ে দিল এই মূষিক প্রসবের ব্রিগেড। লিখেছেন ধীমান সাহা।
তা হলে এই নেতাদের উদ্দেশ্য, আসন্ন নির্বাচনে কি বিজেপি–র পথ সুগম করা? জনগণ পরিষ্কার বুঝতে পারবেন, এই জোটের উদ্দেশ্য বিজেপি–কে হটানো নয়, বিজেপি–র বাধা সরিয়ে দেওয়া। কেন এই প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেল না, একের বিরুদ্ধে এক জোট। সর্বসম্মতিক্রমে কেন একের বিরুদ্ধে এক এই জোট হল না? লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।