আপনার পরামর্শ, সরকারের কাছে

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— ওপেন ফোরাম। আসলে, পাঠকের মুক্তমঞ্চ। নাগরিক জীবনের নানা সমস্যার কথা উঠে আসতে পারে। থানা, হাসপাতাল, অফিস— কোথাও অকারণ হয়রানির শিকার হলে, সেই কথাও উঠে আসতে পারে। আপনাদের বিভাগ, আপনারাই এগিয়ে নিয়ে চলুন।

এবার গণপিটুনির হিড়িক পড়ে যাবে না তো!

এই এনকাউন্টার নিয়ে এখন ধন্য ধন্য রব উঠবে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিচারের আগে এটাই যদি প্রবণতা হয়ে দাঁড়ায়, তখন দু হাত তুলে সমর্থন করতে পারবেন তো? এর জেরে জায়গায় জায়গায় আবার গণপিটুনির হিড়িক পড়ে যাবে না তো? বিচার ব্যবস্থার প্রতি, প্রশাসনের প্রতি কী পরিমাণ অনাস্থা তৈরি হচ্ছে, সেই আত্মসমীক্ষা কি হবে? ধন্য ধন্য রবে ভেসে না গিয়ে বিচার বিভাগ বরং আয়নার সামনে দাঁড়াক। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।

লাইব্রেরিটা কোনদিকে, কজন বিধায়ক জানেন!

বিধানসভার লাইব্রেরিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই আনার দাবি উঠেছে। যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু এই বিধানসভায় কজন বিধায়কের সেই বই পড়ার যোগ্যতা ও আগ্রহ আছে, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। বিধানসভার লাইব্রেরিটা কোনদিকে, কজন বিধায়ক চেনেন?‌ লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

যাঁরা সংবিধান ভাঙছেন, তাঁদের কান মুলে সংবিধান বোঝানো হোক

সেই জুতা আবিষ্কারের কথাতেই আসি। ঘটা করে সংবিধান দিবস পালন করাটা নিতান্তই প্রহসন মনে হচ্ছে। যাঁরা সংবিধান রক্ষার নামে রোজ সংবিধান ভেঙে চলেছেন, তাঁদের বরং বোঝানো হোক, সংবিধানে কী করা যায় আর কী করা যায় না। তাঁরা বুঝলেই যথেষ্ট। সারা দেশকে বোঝানোর কোনও দরকার নেই। লিখেছেন আলি ইমরান (‌ভিক্টর)‌।

তোকে আমরা কী দিইনি, শক্তি?

আজ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তাঁর লেখা অনেক কবিতা ঘোরাঘুরি করবে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এখানে তাঁকে নিয়ে লেখা একটি কবিতা। কবির প্রয়াণের পর এই কবিতা লিখেছিলেন পূর্ণেন্দু পত্রী। বাংলায় লেখা অন্যতম...

একাকীত্ব আর অনুভবের ছবি কেদারা

হলে হাতে গোনা কয়েকজন দর্শক। কী আর করা যাবে! ভাল কাজের কদর করার লোক সবসময়ই একটু কম। আশা করা যায়, পরিচালক হতাশ হবেন না। চিত্রনাট্যকার শ্রীজাতও অনেক সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়ে গেলেন।লিখেছেন ইন্দ্রনীল দত্ত।

বেঙ্গল টাইমস। বিশেষ পাহাড় সংখ্যা

বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই–ম্যাগাজিন। জমজমাট পাহাড় সংখ্যা। বাংলার নানা পাহাড়ের কথা যেমন আছে, তেমনই আছে ভিনরাজ্যের পাহাড়ও। সেইসঙ্গে বাড়তি পাওনা পড়শি দেশ ভুটান। ডাউনলোড করে দ্রুত পড়ে ফেলা যায়।

গোলাপি টেস্টের আবহে এক গোলাপি শহরের ইতিকথা

শহরজুড়ে গোলাপি টেস্টের আবহ। কলকাতা সেজে উঠেছে গোলাপি আলোয়। এই বাংলাতেই একটা শহর গোলাপি শহর হয়ে ওঠার পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিল। সেই শহরের ইতিকথা। লিখেছেন কুন্তল আচার্য।।

ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া

দুয়ারে কড়া নাড়ছে শীত। সামনেই আসছে বড়দিনের ছুটি। হাতে আর তেমন লম্বা ছুটি নেই। চিন্তা করবেন না। হাতের কাছেই রয়েছে অসংখ্য জায়গা। দু তিন দিন ঘুরে আসুন। মন ভাল হয়ে...

অপরূপা হেনরিজ আইল্যান্ড

তিনদিক ম্যানগ্রোভ দিয়ে ঘেরা। ঠিক যেন আইল্যান্ড। লক্ষ লক্ষ লাল কাঁকড়া ঘুরে বেড়াচ্ছে বিচ জুড়ে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখে নেওয়া যায় সুন্দরবনের শোভা।
দুর্দান্ত লোকেশন, ভিড় আর কংক্রিটায়নের হাত ধরে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। এখনও যাওয়া যায়। দিঘার হাল হতে আর বছর খানেক। তাই তার আগেই বেড়িয়ে আসুন হেনরিজ আইল্যান্ড।