অযোধ্যার রায়ে এনআরসি আতঙ্ক ভ্যানিস
এন আর সি বলে আর কিছুই থাকবে না। ডিটেনশন ক্যাম্পও ভেঙে ফেলাই যায়। অন্তত অযোধ্যার রায়ের রেশ ধরে আর কাউকেই অনুপ্রবেশকারী বলা যাবে না। বুঝিয়ে দিলেন ময়ূখ নস্কর।।
এন আর সি বলে আর কিছুই থাকবে না। ডিটেনশন ক্যাম্পও ভেঙে ফেলাই যায়। অন্তত অযোধ্যার রায়ের রেশ ধরে আর কাউকেই অনুপ্রবেশকারী বলা যাবে না। বুঝিয়ে দিলেন ময়ূখ নস্কর।।
হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায় কেই বঞ্চিত না করে,একটা সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হল সুপ্রিম কোর্টের তরফে। বিশেষতঃ বিগত কয়েক বছর ধরে সারা দেশে যখন ধর্মের নামে হিংসা ও সংঘাত প্রায় সর্বত্রই চলছে তখন এইভাবে “সমাধান” দেওয়া প্রত্যাশিতই ছিল। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।
বাঙালি আগে মাঝে মাঝেই হাওয়া বদলে যেত। আর এই হাওয়া বদলেরই একটি ঠিকানা ছিল শিমূলতলা। সময় বদলেছে। হয়ত রুচিও বদলেছে। কিন্তু কেমন আছে শিমূলতলা ? সেখান থেকে ফিরে এসে লিখলেন শান্তনু ব্যানার্জি।
গোয়া যাওয়ার অনেক খরচ। কিন্তু যদি পূর্ব ভারতের গোয়ায় যাওয়া যায়! একদিকে দু হাজার বছরের ইতিহাস। অন্যদিকে ঝাঁ চকচকে আধুনিকতাও। যাওয়া–আসাও খুব সহজ। কোথায় ? হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
শীত হোক বা গ্রীষ্ম, ভোরে ওঠাটা সবসময়ই বেশ কঠিন ব্যাপার। অনেকেই অ্যালার্ম দেন, কিন্তু উঠতে পারেন না। কিন্তু ভোরে উঠতে শুরু করলে তখন দেখবেন ভোরটা সত্যিই সুন্দর। সবাইকে উঠতেই হবে, এমন নয়। কিন্তু যাঁরা উঠতে চান, অথচ উঠতে পারেন না, তাঁদের জন্য কয়েকটি প্রয়োজনীয় পরামর্শ।
কিছুদূর যাওয়ার পরই রাস্তার পাশে একটা ছবির মতো সুন্দর বাড়ি চোখে পড়ল। সামনে অজস্র ফুলে ঘেরা লন। সেখানে বসে এক বিদেশিনী আলতো রোদ গায়ে মেখে একমনে বই পড়ছেন। দৃশ্যটা মনে গেঁথে যাওয়ার মতোই। জায়গাটা একঝলক দেখেই বেশ ভাল লেগে গেল। জানা গেল, সেটা এক নেপালী পরিচালিত হোমস্টে। বাড়ির সামনে অনেকটা ফাঁকা জায়গা। নানারকম পাহাড়ি ফুল বাগান আলো করে রেখেছে। অদ্ভুত প্রজাতির পাতাবাহার ও অর্কিডও রয়েছে। পাশেই রয়েছে বহু পুরনো বিশাল এক চার্চ।সিটং থেকে ফিরে লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
কয়েক বছর ধরে আই এফ এ কর্তাদের অদূরদর্শিতায় এমন একটা ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্ট প্রায় কবরে যেতে বসেছিল। হঠাৎ করে অনূর্ধ্ব ১৯ টুর্নামেন্ট করে ফেলেছিলেন উৎপল গাঙ্গুলিরা। যুক্তি ছিল, এর ফলে নাকি ম্যাঞ্চেস্টার, লিভারপুল, বার্সিলোনার জুনিয়ার দলকে আনা হবে।এমন অবস্থা হল, কবে টুর্নামেন্ট শুরু, কবে শেষ, কারা চ্যাম্পিয়ন, কেউ জানতেও পারল না। এমন একটা টুর্নামেন্টকে কার্যত কোমায় পাঠিয়ে দেওয়া হল।
একটা সময় নিশ্চয় ভাল বোলিং করেছেন। কয়েকটা ম্যাচও জিতিয়েছেন। কিন্তু সেই দিন্দা এখন নিছকই অতীত। পাঁচ বছর আগের জায়গায় তিনি নেই। না ফিটনেসে, না পারফরমেন্সে। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচকরা তাঁকে দলে রাখেননি। তাই তাঁর বাংলা ছাড়ার ফাঁপা হুমকিকে বিশেষ আমল না দেওয়াই ভাল। লিখেছেন সোহম সেন।
বাঙালি নাকি দিঘা, পুরী আর দার্জিলিংয়ের বাইরে কিছু ভাবতে পারে না। কিন্তু চারপাশে ছড়িয়ে আছে কত অচেনা–অজানা ঠিকানা। যেসব জায়গা হয়ত ততটা পরিচিত নয়। কেউ কেউ বারবার ছুটে যান সেই অচেনার সন্ধানে। এমন কিছু ব্যতিক্রমী জায়গাকে তুলে ধরতে আগ্রহী বেঙ্গল টাইমস।
সেই রাজবাড়ি এখনও আছে। আছে সেই আরামকেদারা, যেখানে রবি ঠাকুর বসতেন, লিখতেন। চাইলে মধুপুরের সেই রাজবাড়িতে আপনিও থাকতে পারেন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন শান্তনু ব্যানার্জির লেখা।।