শেরিফ শংকর, সবাই এত নির্লিপ্ত !
শেরিফ একটি সম্মানজনক পদ। শহরের বিশিষ্ট নাগরিককে সম্মান জানানো হয়। কোনও সন্দেহ নেই, সাহিত্যিক শংকর এই পদের উপযুক্ত ব্যক্তি। এই চেয়ারে বসতে গিয়ে তাঁকে শাসকদলের মিছিলে হাঁটতে হয়নি। লেজুড়বৃত্তিও করতে হয়নি।
শেরিফ একটি সম্মানজনক পদ। শহরের বিশিষ্ট নাগরিককে সম্মান জানানো হয়। কোনও সন্দেহ নেই, সাহিত্যিক শংকর এই পদের উপযুক্ত ব্যক্তি। এই চেয়ারে বসতে গিয়ে তাঁকে শাসকদলের মিছিলে হাঁটতে হয়নি। লেজুড়বৃত্তিও করতে হয়নি।
এত বড় মেট্রো স্টেশন, সেখানে সামান্য পাঁচ ফুট বাই পাঁচ ফুট জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না? মাত্র চারটি স্টেশনে শৌচাগারের ব্যবস্থা ছিল। বাকিগুলিতে ছিল না কেন? তখন যদিও ছিল না, এখন করতে বাধা কোথায়?
অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল উত্তম কুমারের শুটিং দেখার। অবশেষে সুযোগ এসে গেল। তখন শুটিং চলছে অগ্নীশ্বর ছবির। সেই শুটিং শেষ করেই বাঘবন্দী খেলা। একইদিনে এমন বিপরীতধর্মী দুটো চরিত্র! শুটিং দেখার সেই অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন বিশ্বরঞ্জন দত্ত গুপ্ত।
রাবাংলা একেবারেই ছোট্ট শহর। পায়ে হেঁটেই দিব্যি ঘোরা যায়। অহেতুক গাড়ি নিতে গেলে অনেক আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকবেন। পায়ে হেঁটে সিঁড়ি বেয়ে উঠে যান বুদ্ধ পার্কের দিকে (একান্তই যেতে না পারলে গাড়ি নিতে পারেন)। নিসর্গ তো আছেই, তার সঙ্গে চমৎকার সাজানো একটি বিশাল পার্ক। বিশাল এক বুদ্ধ মূর্তি। আর কোথাও যদি যেতে নাও পারেন, এই পার্ক ও লাগোয়া মনাস্ট্রিতে অবশ্যই যান।
রাজ্যের তরুণ এক বিধায়ক। বিধানসভায় বিরোধীদের অন্যতম মুখ। সেই আলি ইমরানের চোখে কিংবদন্তি অশোক ঘোষ। লেখাটি পড়ুন। অনেক অজানা কথা জানতে পারবেন।
( আজ ২ জুলাই। কিংবদন্তী জননেতা অশোক ঘোষের জন্মদিন। ঠিক ৪ বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। তার কয়েকটি লেখা আবার প্রকাশিত হচ্ছে। যাঁরা আগে পড়েননি, তাঁরা এখন পড়ে নিতে পারেন। যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা আবার পড়লেও মন্দ লাগবে না। )
মাত্র এক টাকায় কেনা হয়েছিল সল্টলেক? কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন বিধানচন্দ্র রায়? সেই কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।।
কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
‘তোমরা গ্রামে হাঁড়িয়া মদ খাও। কিন্তু এখানে সেটা পাচ্ছো না। বিলিতি মদ তোমার পেটে সহ্য হচ্ছে না। সেই কারণেই তোমার সমস্যা।’ দানিশ লাকরা কিছুটা যেন লজ্জা পেলেন। বিধানবাবু বললেন, তোমাকে মদ ছাড়তে বলছি না। যখন কলকাতায় আসবে, দয়া করে বিলিতি মদ খেয়ো না। পারলে হাঁড়িয়া সঙ্গে নিয়ে এসো।
জেল থেকে তুলে আনলেন স্নেহাংশু আচার্যকে। লিখিয়ে নিলেন দানপত্র। সেখানেই তৈরি হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।