দলীয় নেতামন্ত্রী থেকে সিনেমার তারকা, শিল্পী থেকে শিল্পপতি, কারও কাছেই তিনি ‘দাদা’ ছিলেন না। হয়ে ওঠার চেষ্টাও করেননি। তাঁকে উন্নাসিক বা দাম্ভিক মনে করতেই পারেন। লোকদেখানো নৈকট্য নয়, তিনি যেমন, তিনি তেমনই। গ্রামে না গিয়েও বুঝতেন গ্রামের মানুষের নাড়ির স্পন্দন। জানতেন, একজন প্রশাসকের কাজ কী। ‘জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, বিরাট ব্যক্তিত্ব।’ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
এতদিন সংবাদ প্রতিদিনকে প্রায় তৃণমূলের মুখপত্রই মনে হত। কিন্তু এবারের লোকসভা নির্বাচনে অনেকটাই নিরপেক্ষতা নিয়ে চলেছিল এই কাগজটি। মুখ্যমন্ত্রীর ধারণা, এই কাগজটি ক্রমশ বিজেপির দখলে চলে যাচ্ছে। কাগজটির প্রতি ক্রমশ মোহভঙ্গ ঘটছে মুখ্যমন্ত্রীর। তাই কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন।
ফ্রন্টফুটে গিয়েও পরে ব্যাকফুটে এসে কীভাবে কভার ড্রাইভ করতে হয়, কোন বলটা স্টেপ আউট করে ছক্কা হাঁকাতে হয়, তিনি জানেন। কখন কাকে বল দিতে হয়, কীভাবে ফিল্ডিং সাজাতে হয়, তাও জানেন। সবমিলিয়ে রাজ্যের নেতৃত্বেও বেমানান হবেন না। সৌরভ গাঙ্গুলির জন্মদিনে ভিন্নস্বাদের লেখা। লিখলেন দেবায়ণ কুণ্ডু।
সৌরভ গাঙ্গলিকে নিয়ে লেখা কবিতা বেহালার ছেলেটা। কবি সুবোধ সরকার। এখানে কবিতাটির অংশবিশেষ। পুরো কবিতাটি চাইলে ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে শুনতে পারেন। সেই ভিডিও লিঙ্ক দেওয়া হল। নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। তাহলেই শুনে পাবেন।
রনজি ট্রফিতে কীভাবে অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির? কার বদলে দলে এসেছিলেন? এক জমজমাট ছবির চিত্রনাট্য হতেই পারে। সৌরভের জন্মদিনে সেই রনজি ফাইনালের কথা তুলে আনলেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
সৌরভকে নিয়ে ছবি বানাতে চেয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। সরাসরি সৌরভকে প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। পাল্টা সৌরভ কী বলেছিলেন? তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।