এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক
নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।
নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।
শ্রাবণ মাস পড়ে গেল। শ্রাবণ মানেই বৃষ্টি। একটি বৃষ্টির দিনের কথা বলি। তখন আমাদের অল্প বয়স। বৃষ্টিকে পরোয়া করতাম না। বৃষ্টির মাঝেই খেলতাম। ক্রিকেটটা খেলা যেত না (তাছাড়া, তখন শীতকাল ছাড়া ক্রিকেট সেভাবে হতও না)। তবে ফুটবলটা দিব্যি খেলা যেত।
জেলা পরিষদ সদস্যদের নিয়ে সভা ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সভা। অথচ, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে মঞ্চ আলো করে রইলেন তৃণমূল রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিও। এই সভায় তাঁর ভূমিকা কী? অথচ, যাঁর থাকার কথা, সেই পঞ্চায়েত মন্ত্রীই নেই।
উত্তম কুমারের নাম শুনলেই বাঙালি এমন একটা ভান করে, যেন কতই না জানে। অথচ, এর মধ্যে একটা অদ্ভুত ফাঁকিবাজি রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কথা ছেড়ে দিন। যারা মাঝবয়সী, তাদের জিজ্ঞেস করুন তো, উত্তমের কোনও ছবি হলে গিয়ে দেখেছেন কিনা। আমি নিশ্চিত, দশজনের মধ্যে অন্তত নজন দেখেননি।লিখেছেন রাজেশ মুখার্জি।।
বেঙ্গল টাইমসে উত্তম সপ্তাহ। নানা দৃষ্টিকোণ থেকে উত্তম কুমারকে ফিরে দেখা। কিছু ঘটনা, কিছু স্মৃতিচারণ। কোথাও কোথাও নানা বিতর্ককেও ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা। কিছু পুরনো, কিছু নতুন, সবমিলিয়ে মহানায়কের স্মরণে জমজমাট একটি সপ্তাহ।।
গত বছরের মতো এবারও। বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন। প্রকাশিত হবে পুজোর অনেক আগেই।এখন থেকেই তার প্রস্তুতি। থাকবে অণু উপন্যাস, গল্প, অণু গল্প, ফিচার। সিনেমা, ভ্রমণ, খেলা নিয়েও থাকবে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন।
সমুদ্র আছে, পাহাড় আছে, জঙ্গল আছে। সঙ্গে আছে ইতিহাসের গন্ধ। একেবারে ফোর ইন ওয়ান। কোথায় ? সন্ধান দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
আটের দশক বা নয়ের দশকেও দশজনের মধ্যে অন্তত সাত–আটজন সাঁতার জানত। গত পনেরো–কুড়ি বছরে ছবিটা যেন একেবারেই বদলে গেছে। স্নান করতে এখন পুকুরে যাওয়ার রেওয়াজটাই কমে গেছে। এখন একশো জন কিশোর বা তরুণের মধ্যে পাঁচজন সাঁতার জানে কিনা সন্দেহ। সমুদ্রে একের পর এক তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা তো আছেই। পাশাপাশি জল সম্পর্কে অদ্ভুত একটা ভীতিও কাজ করছে। ওপেন ফোরামে লিখলেন ধীমান সাহা।।
আজ একুশে জুলাই। এই একুশে জুলাই কাণ্ড নিয়ে একটি কমিশন হয়েছিল। তিন বছর আগে এই কমিশন ঠিক কী বলেছিল? এখনও সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল না। তিন বছর আগে বেঙ্গল টাইমসে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনাম: শুনুন ধর্মাবতার। পুরনো সেই লেখা ফের পড়ে দেখতে পারেন।
এই দিনেই নাকি চাঁদে গিয়েছিলেন নিল আমস্ট্রং। পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেল। আর কেউ চাঁদে যেতে পারলেন না ? নিল আমস্ট্রংরা কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিলেন? নাকি বানানো এক গল্প? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে অন্য এক ব্যাখ্যা তুলে আনলেন শুভেন্দু মণ্ডল।।