লাল সেলাম ঝর্না দাস। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্বটা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। দল আর প্রশাসন যে আলাদা বিষয়, দুইয়ের মধ্যে যে একটা লক্ষ্মণরেখা থাকে, এই সহজ সহবৎ শিক্ষাটাই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। কোনটা দলীয় সভায় বলতে হয়, কোনটা বিধানসভা বা সংসদে বলতে নেই, এই বোধগুলোই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, এই ঝর্না দাসেরাই পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্বটা ভাল করে বুঝিয়ে দিতে।
এখন আর চাউলখোলায় নেমে ব্রেক জার্নি করার দরকার নেই। এসি বাসে সরাসরি পৌঁছে যেতে পারেন মন্দারমণি। ফেরার সময়েও কোনও সমস্যা নেই। সরাসরি মন্দারমণি থেকেই বাস ধরতে পারেন। অনলাইনে আগাম বুকিংও করে রাখতে পারেন।
যদি মনে হয়, কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন, তার জন্য দুই প্রধানের কর্তারা বিজয়বর্গীয়র কাছে যেতেই পারেন। কিন্তু এত ভয় পাওয়ার কী আছে? এমন ডিগবাজি মারারই বা কী আছে? মুখ্যমন্ত্রীকে এত দরাজ সার্টিফিকেট দেওয়ারই বা কী আছে? আসলে, এক ধমকেই কাঁপুনি বেরিয়ে এল। এই থমথমে আবহটাই গত কয়েকবছর ধরে চলে আসছে ক্রীড়াজগতে। লিখেছেন সোহম সেন।