একছুটে বাঁকিপুটে
একেবারেই নির্জন সৈকত। বর্ষায় হাতছানি দিচ্ছে। সৈকত ধরে ভিজতে ভিজতে এগিয়ে চলুন সমুদ্রের দিকে। বাঁকিপুটের সন্ধান দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
একেবারেই নির্জন সৈকত। বর্ষায় হাতছানি দিচ্ছে। সৈকত ধরে ভিজতে ভিজতে এগিয়ে চলুন সমুদ্রের দিকে। বাঁকিপুটের সন্ধান দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
একজন বিচারপতির এজলাস বয়কট, এটা কি সরকারি আইনজীবীদের সিদ্ধান্ত! এতবড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার কি তাঁদের আছে ? এমনকী অ্যাডভোকেট জেনারেলেরও আছে ? এতবড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের আইনমন্ত্রী নিতে পারেন? বিশ্বাস করা মুশকিল। একটা সাধারণ সিদ্ধান্ত নিতে যাঁদের হাঁটু কাঁপে, তাঁরা নেবেন এমন সিদ্ধান্ত ? হতেই পারে না।
নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।
শ্রাবণ মাস পড়ে গেল। শ্রাবণ মানেই বৃষ্টি। একটি বৃষ্টির দিনের কথা বলি। তখন আমাদের অল্প বয়স। বৃষ্টিকে পরোয়া করতাম না। বৃষ্টির মাঝেই খেলতাম। ক্রিকেটটা খেলা যেত না (তাছাড়া, তখন শীতকাল ছাড়া ক্রিকেট সেভাবে হতও না)। তবে ফুটবলটা দিব্যি খেলা যেত।
জেলা পরিষদ সদস্যদের নিয়ে সভা ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সভা। অথচ, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে মঞ্চ আলো করে রইলেন তৃণমূল রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিও। এই সভায় তাঁর ভূমিকা কী? অথচ, যাঁর থাকার কথা, সেই পঞ্চায়েত মন্ত্রীই নেই।
উত্তম কুমারের নাম শুনলেই বাঙালি এমন একটা ভান করে, যেন কতই না জানে। অথচ, এর মধ্যে একটা অদ্ভুত ফাঁকিবাজি রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কথা ছেড়ে দিন। যারা মাঝবয়সী, তাদের জিজ্ঞেস করুন তো, উত্তমের কোনও ছবি হলে গিয়ে দেখেছেন কিনা। আমি নিশ্চিত, দশজনের মধ্যে অন্তত নজন দেখেননি।লিখেছেন রাজেশ মুখার্জি।।