যে কোনও ডাক্তারের উচিত, ডাক্তারি পেশায় আসার আগে অগ্নীশ্বর দেখা। মেডিকেল কলেজগুলির উচিত, ছাত্রদের আগে অগ্নীশ্বর দেখানো। মহানায়কের নামে মেট্রো স্টেশন করার থেকে সেটা বেশি জরুরি। এই নিয়ে ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা। লিখেছেন সজল মুখার্জি।
টিভিতে ছবি উঠেছে। পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, শোভন, বৈশাখী নেমে এলেন, পার্থকে গাড়িতে তুলে দিলেন। টিভিতে সেই দৃশ্য দেখানোও হল। এরপরেও গায়ের জোরে অস্বীকারের কোনও দরকার ছিল? এর পরেও এমন মিথ্যের বেসাতি করা কোনও দরকার ছিল? তৃণমূল মহাসচিব যা খুশি বলুন, তাতে কোনও আগ্রহ নেই। কিন্তু তিনি তো রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীও। সেই কথাটা কি ভুলে গেলেন!
বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা এবার বোধ হয় ফুরোলো। কোথাও কোথাও এর মধ্যেই বৃষ্টি শুরু। দক্ষিণবঙ্গ ভিজবে শুক্রবার থেকেই। নিম্নচাপ আসছে। একদিকে উত্তরবঙ্গ ভাসছিল, অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গ চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছিল বৃষ্টির জন্য। অবশেষে, স্বস্তির বৃষ্টি আসতে চলেছে।
টানা তিনদিন ট্যাক্সি পরিষেবা বন্ধ থাকবে কলকাতায়। ৬ থেকে ৮ আগস্ট। ওলা, উবেরের মতো ক্যাব সংস্থাকেও বন্ধে শামিল হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে। এই তিনদিন ধর্মঘটে নাকাল হতে হবে আমজনতাকে।
আজ ২৪ জুলাই। উত্তম-কুমারের মৃত্যুদিন। উত্তম বলতেই এসে যায় সুচিত্রার কথাও। বাঙালির একটাই জুটি, উত্তম-সুচিত্রা। কিন্তু পোস্টারগুলো ভাল করে লক্ষ্য করেছেন ? শুরুর দিকের কয়েকটি ছবি ছাড়া কোথাও লেখা নেই উত্তর-সুচিত্রা। এর কারণ কী ? জানালেন সংহিতা বারুই।।
টানা বৃষ্টি, ধসের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল টয় ট্রেনের পরিষেবা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়েছে দার্জিলিং—হিমালয়ান রেল। আবার চালু হয়ে গেল টয় ট্রেনের পরিষেবা। তবে এনজেপি থেকে ট্রেন ছাড়ার সময় দেড় ঘণ্টা পিছিয়ে গেল। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরল পর্যটকদরে।
রাতে হঠাৎ শোভন চ্যাটার্জির বাড়িতে হাজির পার্থ চ্যাটার্জি। প্রায় তিন ঘণ্টার আলোচনা। বেরোলেন রাত দেড়টা নাগাদ। ফের মেয়র হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হল শোভনকে। এমনকী, মন্ত্রীসভায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে, এমন আশ্বাসও দেওয়া হল। কিন্তু শোভন কী করবেন? জল্পনা জিইয়েই রাখলেন।
কলকাতা ছেড়ে বম্বেতে চলে যেতে চেয়েছিলেন উত্তম কুমার? সেখান থেকেই বাংলা ছবি করতে চেয়েছিলেন ? কেন ? এখানে কি এমন ঘটেছিল যে আর বাংলায় ফিরতে চাইছিলেন না ? জানতে হলে পড়ুন।
একেবারেই নির্জন সৈকত। বর্ষায় হাতছানি দিচ্ছে। সৈকত ধরে ভিজতে ভিজতে এগিয়ে চলুন সমুদ্রের দিকে। বাঁকিপুটের সন্ধান দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
একজন বিচারপতির এজলাস বয়কট, এটা কি সরকারি আইনজীবীদের সিদ্ধান্ত! এতবড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার কি তাঁদের আছে ? এমনকী অ্যাডভোকেট জেনারেলেরও আছে ? এতবড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের আইনমন্ত্রী নিতে পারেন? বিশ্বাস করা মুশকিল। একটা সাধারণ সিদ্ধান্ত নিতে যাঁদের হাঁটু কাঁপে, তাঁরা নেবেন এমন সিদ্ধান্ত ? হতেই পারে না।