বোঝা গেল, হল্লাবাজদের হাতেই থাকবে সংসদ

কেউ জয় শ্রীরাম করলেন। কেউ জয় হিন্দ বলে গেলেন। কেউ মা কালীর মন্ত্র আউড়ে গেলেন। কেউ জয় মমতা বলে চিৎকার করলেন। কেউ মা মাটি মানুষ বলে হুঙ্কার ছাড়লেন। কেউ শপথ নিতে গিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুরু করে দিলেন। একেক জন ভাবলেন, তাঁরা হয়ত দারুণ কোনও কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছেন। গোটা দেশের কাছে বাংলাকে কতখানি হাসির খোরাক করে তুললেন, তাঁ এঁরা কেউ ভেবেও দেখলেন না।

বন্ধ হয়ে গেল উত্তরের জঙ্গল

যাঁরা ডুয়ার্সে যাওয়ার কথা ভাবছেন, আপাতত সেই ভাবনা মুলতুবি রাখতে পারেন। কারণ, তিন মাসের জন্য বন্ধ হয়ে গেল উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জাতীয় অরণ্য। এই তালিকায় জলদাপাড়া, বক্সা, মহানন্দা, গরুমারা রয়েছে।

সেই ছাতা ফেরত দেওয়াই হল না

স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ একটি ছাতা ও এক মাস্টারমশাইয়ের কাহিনি।

হাওড়া স্টেশনস্থ যাত্রীদের দূরবস্থা বর্ণন

লাইন আর এগোতেই চাইছে না। একে মানুষ দূরদূরান্ত থেকে আসছেন। এমনিতেই গন্তব্যে যাওয়ার একটা তাড়া থাকে। তার ওপর স্টেশনে নেমেও দেড়–‌দু ঘণ্টার অপেক্ষা!‌ এখন প্রিপেইড বুথ পরিচালনা করছে হাওড়া সিটি পুলিশ। নানা জায়গায় তাদের হোর্ডিং। বলা হল, রাতে ট্যাক্সি নেই। আমার প্রশ্ন, নেই কেন?‌ বোঝা গেল, সিটি পুলিশের সঙ্গে ট্যাক্সি ইউনিয়নের কোনও সমন্বয়ই নেই। রাতে কোন কোন ট্রেন ঢোকে, মোটামুটি কোনদিন কত প্যাসেঞ্জার হয়, এই জাতীয় পরিসংখ্যানও আছে বলে মনে হল না।

‌মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে এইসব অর্বাচীনরা কেন?‌

মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালে যেতেই পারেন। কিন্তু সঙ্গে নির্মল মাজিদের মতো লোকেরা কেন?‌ গত কয়েক বছরে বাংলার চিকিৎসাক্ষেত্রে সবথেকে নিন্দনীয় লোকটি কে, তা মুখ্যমন্ত্রী জানেন না?‌ এইসব লোককে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার অর্থ হল তাঁর নানাবিধ অপকর্কে সিলমোহর দেওয়া। এবং ভবিষ্যতেও খবরদারির লাইসেন্স দেওয়া। অথচ, এই লোকগুলিকে হাসপাতাল থেকে দূরে রাখাটা একান্তই জরুরি।

টাকার হাতছানি থেকে রেহাই দিন রামকৃষ্ণকে

রামকৃষ্ণ যদি চাইতেন, সামান্যতম ইচ্ছেও প্রকাশ করতেন, সেই যুগে তাঁকে সোনায় মুড়ে দেওয়ার জন্য প্রচুর মানুষ এগিয়ে আসতেন। এসেও ছিলেন। সেই ‘লোভ’-টাকে বর্জন করতে পেরেছেন বলেই আজ তিনি ঠাকুর রামকৃষ্ণ।সেই তাঁর ঘরেই কিনা, এত টাকা-পয়সার গন্ধ? খাট ঘিরে ওই দান বাক্সগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, ঠাকুর যেন কয়েদখানায় বন্দী! লিখেছেন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডাক্তারদের দায়িত্ব এড়াতে কে বাধ্য করছেন!‌

আমরা ডাক্তার! আমাদের নাকি অনেক টাকা! আমরা নাকি একাই সরকারের ভর্তুকির টাকায় পড়ি! তৈরি হোন। ‘‌আপনি বাঁচলে বাপের নাম’‌ চিন্তাধারা আমাদের মধ্যে গজিয়ে তুলেছে সমাজ। নিজের বাবা-মা যাতে সন্তানহারা না হয়, তাই বহু বাবা-মা কে সন্তানহারা করার মানসিকতা ভেতরে ভেতরে তৈরি হচ্ছে। প্রস্তুত থাকুক সমাজ। কর্মফল ভুগতে হবেই আমজনতাকে।

আমরা নির্লিপ্ত ছিলাম, কিন্তু আজ আমাদের পাশে সবাই

আমরা একের পর এক অন্যায় দেখেছি। রুখে দাঁড়াইনি। প্রতিবাদটুকুও করিনি। আজ আমরাই রাষ্ট্রের চোখরাঙানির মুখে। কী আশ্চর্য, আজ সবাই আমাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এক চিকিৎসকের বয়ানে উঠে এল এমনই উপলব্ধির কথা।

স্মৃতির সরণি বেয়ে….

নিজের মধ্যে পুষে রাখা জড়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলুন। আপনার সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্মৃতি ভাগ করে নিন অন্যদের সঙ্গেও। তবে একটা কথা মাথায় রাখা ভাল, কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা কুৎসা না করাই ভাল। ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে দূরে থাকুন। খারাপ স্মৃতি তো সবারই থাকে। সেই কাদা ঘেঁটে, অন্যকে দোষারোপ করে লাভ কী? আমরা না হয় ভাল স্মৃতিগুলোকে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বেঙ্গল টাইমসের পাতায় সেই সুখস্মৃতি ভিড় করুক।