‌বিধানসভায় ফের বাজিমাত ভিক্টরের

বিধানসভায় ফের ঝড় তুললেন আলি ইমরান (‌ভিক্টর)‌। কাটমানি নিয়ে গোটা বাংলা যখন উত্তাল, তখন এই ইস্যুতে সরকারের ওপর আরও চাপ বাড়ালেন তরুণ বাম বিধায়ক। শুধু নিচুতলায় নয়, উঁচুতলায় কীভাবে কাটমানি প্রভাব বিস্তার করেছে, একের পর এক উদাহরণ তুলে ধরে বাজিমাত করলেন বিধানসভায়।

পাইন বনের চিঠি

আপনার চারপাশের চেনা জগৎ থেকে একেবারেই আলাদা— লেপচা জগৎ। যেখানে মেঘ এসে হারিয়ে যায় পাইনের বনে। উদাসী সকাল ভুলিয়ে দিয়ে যায় জীবনের নানা গ্লানি। ওই দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘা, সেও নিজের খেয়ালে ডানা মেলেছে। মনে পড়বে মান্না দে–‌র সেই গান, আমার ইচ্ছে করে শূন্যে উঠে/‌ মেঘের উপর দিয়ে হাঁটি।

এই ওয়াকআউট সত্যিই বিরক্তিকর হয়ে উঠছে

বিধানসভা হল্লা করার জায়গা নয়। রোজ রোজ ওয়াক আউট করাটাও ক্রমশ একঘেয়ে ও বিরক্তিকর হয়ে উঠছে। বাম পরিষদীয় দল কবে যে এই সহজ সত্যিটা বুঝবে!‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বড়া মাঙ্গোয়া— অলস দুটো দিনের ঠিকানা

বর্ষায় অনেকে পাহাড়কে এড়িয়ে যান। কিন্তু পাহাড়ে অলসভাবে বৃষ্টি দেখার আনন্দই আলাদা। এমনই এক ঠিকানা হতে পারে বড়া মাঙ্গোয়া। বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো এক ফার্মহাউস। সামনে দিগন্ত বিস্তৃত পাহাড়ের সারি। বৃষ্টিভেজা পাহাড় ধরা দেবে আরও মোহময়ী চেহারায়। লিখেছেন অভিরূপ দাস।

মিল্লার সার্টিফিকেট, কী জানি বাবলুদার মনে আছে কিনা

সেটাই ছিল সুব্রত ভট্টাচার্যর শেষ বছর। ১৭ বছর খেলা হয়ে গেছে। রজার মিল্লার কাছে প্রশ্ন এল, সুব্রতকে কেমন দেখলেন?‌ বেচারা মিল্লা!‌ বেমালুম বলে দিলেন, প্রমিশিং, ব্রাইট ফিউচার। এমনই স্মৃতি তুলে...

হ্যাটট্রিক বললেই এখনও ভেসে ওঠে চেতনের মুখ

শেষ বলে ছয় মারার প্রসঙ্গ উঠলেই ভেসে ওঠে দুটি মুখ— জাভেদ মিয়াদাদ ও চেতন শর্মা। ঠিক তেমনি, বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক বললেও ভেসে ওঠে চেতন শর্মার মুখ। মহম্মদ সামি যেন আবার হারানো স্মৃতি ফিরিয়ে দিলেন।

জয় এল, কিন্তু অনেক প্রশ্নও থেকে গেল

একেবারে কান ঘেঁসে জয় বলতে যা বোঝায়, তাই। জয় এল, দুটো পয়েন্টও এল। কিন্তু এমন শোচনীয় পরিস্থিতি কেন তৈরি হল, সেই আত্মসমীক্ষা হয়ত জয়ের উল্লাসে হারিয়েই যাবে।

বড় ভাঙনের পথে তৃণমূল, চলে যাচ্ছে আস্ত জেলা পরিষদ

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলে বড়সড় ভাঙন ধরতে চলেছে। বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন প্রাক্তন জেলা সভাপতি ও প্রাক্তন বিধায়ক বিপ্লব মিত্র। বিধায়ক বা প্রাক্তন বিধায়কের দল ছাড়া নতুন কিছু নয়। কিন্তু বিপ্লব মিত্রর সঙ্গে জেলা পরিষদের অধিকাংশ সদস্যই চলে আসতে পারেন বিজেপিতে। সূত্রের দাবি, ২২ সদস্যের মধ্যে প্রায় ১৪ জন চলে যেতে পারেন বিজেপির দিকে। সেইসঙ্গে বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর পুরসভাও পুরোপুরি বিজেপিতে চলে আসার সম্ভাবনা।

ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই

রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি ধরা মানে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা। প্রায় সবার কাছেই আপনি ‘‌না’‌ শোনার জন্য তৈরি থাকুন। বোঝাই যায়, ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। ওপেন ফোরামে এমনই অভিজ্জতার কথা লিখেছেন মলয় সাহা।।

স্পিকারের চেয়ারেও সেই রাবার স্ট্যাম্প!‌

কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা স্পিকারের চেয়ারের মর্যাদা বোঝেন। বিজেপিতেই এমন অন্তত কুড়ি জন সাংসদ ছিলেন, যাঁরা যোগ্য স্পিকার হতে পারতেন। তার বদলে এমন আনকোরা স্পিকার আনা হল কেন?‌ এই পদটাকেও রাবার স্ট্যাম্প বানাতেই হবে?‌ ওম বাজাজের নাম কেবলমাত্র জেনারেল নলেজের বই বা সংসের ওয়েবসাইটেই থাকবে। মানুষের মনে কোনও ছাপ ফেলতে পারবেন না।