উপেক্ষার দাড়িভিট বনাম ঢক্কা নিনাদের ব্রিগেড

একদিকে ব্রিগেডের লাগাতার প্রচার। অন্যদিকে, দাড়িভিটের সভা নিয়ে সীমাহীন উপেক্ষা। দিনের শেষে যদি পাশাপাশি দুটো ছবি ছাপা যায়!‌ ব্রিগেডের ভিড়টা হয়ত বেশি। উপেক্ষার দাড়িভিটের কাছে ঢক্কা নিনাদের ব্রিগেডকে সত্যিই বড় ম্লান মনে হত। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

ব্রিগেড বুঝিয়ে দিল, মিডিয়ার প্রচার কতটা ফাঁপা

সত্যিই কি ব্রিগেড ‘‌ঐতিহাসিক’‌ হয়ে উঠল?‌ এত কোটি কোটি খরচ, এত প্রচারের ঢক্কা নিনাদ, তারপরও এমন করুণ দশা কেন?‌ ওপর থেকে তোলা ছবিগুলো যেন আসল সত্যিটা বুঝিয়ে দিয়ে গেল। মিডিয়ার ফাঁপানো প্রচার যে বাস্তব থেকে কতটা দূরে, তা ফের বুঝিয়ে দিল এই মূষিক প্রসবের ব্রিগেড। লিখেছেন ধীমান সাহা।

‌জোট না ঘোঁট সময়ই বলবে

তা হলে এই নেতাদের উদ্দেশ্য, আসন্ন নির্বাচনে কি বিজেপি–র পথ সুগম করা? জনগণ পরিষ্কার বুঝতে পারবেন, এই জোটের উদ্দেশ্য বিজেপি–কে হটানো নয়, বিজেপি–র বাধা সরিয়ে দেওয়া। কেন এই প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেল না, একের বিরুদ্ধে এক জোট। সর্বসম্মতিক্রমে কেন একের বিরুদ্ধে এক এই জোট হল না? লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।

কাদের হাতে চাবি তুলে দিচ্ছে ওলা?‌

আগে শুনতাম, ড্রাইভারদের নানা রকম প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিভিন্ন রাস্তা চেনে কিনা, পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু এখন দেখছি, অধিকাংশ গাড়ি চালাচ্ছেন অবাঙালিরা। শুরু থেকেই আপনাকে হিন্দিতে কথা বলতে হবে। এবং সবচেয়ে যেটা ভয়ঙ্কর, অধিকাংশ ড্রাইভার কলকাতার রাস্তাঘাট সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানেন না। জটিল জায়গা তো দূরের কথা, সাধারণ জায়গাগুলোই চেনেন না।

মহা ব্রিগেডের পরেও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সংশয় থাকবেই

ব্রিগেডে যত বড় জমায়েতই হোক, বিজেপির বিরুদ্ধে যত হুঙ্কারই শোনা যাক, কিন্তু এদের বিশ্বাসযোগ্যতা কতটা?‌ বিজেপি ২০০–‌র কাছাকাছি গেলে এদেরই অনেকে সেই শিবিরে ঠাঁই পাওয়ার জন্য লাইন দেবে। এমনকী যিনি সভার উদ্যোক্তা, তিনিও হয়ত অক্সিজেন দেওয়ার কাজটাই করবেন। লিখেছেন রাতুল পাত্র।

বার্তা বলে কিছু হয় না, শক্তি প্রদর্শনই হল আসল কথা

সহজ কথা, সংখ্যা আছে, তাই তৃণমূলের গুরুত্ব আছে। সংখ্যা না থাকলে এই গুরুত্ব থাকত না। সংখ্যা আছে বলেই কংগ্রেস রেয়াত করে। সংখ্যা আছে বলেই বিজেপি সব তদন্তকে শীতঘুমে পাঠিয়ে দরজা খোলা রাখে। বার্তা–‌টার্তা কিছুই নয়। ব্রিগেডের মঞ্চ আসলে ছিল শক্তি জাহিরের মঞ্চ। তবু মিডিয়া কেন যে নতুন বার্তা খুঁজে বেড়ায়!‌ লিখেছেন শান্তনু দাম।

শ্রীজাত, এই বাংলাতেও আপনার বাক স্বাধীনতা নেই

শিলচরে কবিকে হেনস্থা করা হল। উদ্বেগ্ন মুখ্যমন্ত্রী ফোন করলেন, খোঁজ নিলেন। শ্রীজাত ধন্যবাদ জানাতেই পারেন। কিন্তু বলে বসলেন, এই বাংলায় বাক স্বাধীনতা আছে। এতবড় সার্টিফিকেট দেওয়াটা বোধ হয় একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। একটু বেসুরো গাইলেই বুঝবেন, এই বাংলাতেও তাঁর বাক স্বাধীনতা নেই। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

দলবদলের মুখেও মোক্ষম সত্যিটা তো বললেন!‌

দলত্যাগী বিধায়কের সাফাই, কাজ করতে পারছিলেন না। অর্থাৎ, বিরোধী বিধায়ক থাকলে কাজ করা যায় না। তাঁর কথাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ওসি থেকে বিডিও, এসপি থেকে ডিএম তাঁকে পাত্তা দেন না। এটা একটা সরকারের কাছে ভাল বিজ্ঞাপন?‌ দলত্যাগের মুহূর্তে অন্তত এই মোক্ষম সত্যিটা তুলে ধরলেন মুর্শিদাবাদের দলত্যাগী বিধায়ক। লিখেছেন অনির্বাণ বসু।

সোশাল নয়, এ যেন অ্যান্টি সোশাল সাইট

দিন দিন প্রচণ্ড অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। পরিষ্কার বুঝতে পারছি, ওর পড়ায় মন নেই। বাথরুমেও যায় ফোন নিয়ে। খেতে বসে খাওয়ার দিকেও মন থাকে না। এতটাই অ্যাডিক্টেড হয়ে গেছে, এক মুহূর্তও ফোন ছাড়া থাকতে পারছে না। সোশাল সাইট আসক্তি নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ উঠে এল নিবেদিতা পালের কলমে।

পুলিশ অসহায়, তাই ট্যাক্সি বেপরোয়া

রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি ধরা মানে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা। প্রায় সবার কাছেই আপনি ‘‌না’‌ শোনার জন্য তৈরি থাকুন। বোঝাই যায়, ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। ওপেন ফোরামে এমনই অভিজ্জতার কথা লিখেছেন মলয় সাহা।।