এত বড় বড় লং মার্চের ছবি ছাপতে যাঁদের ভয়ে হাঁটু কাঁপে, তাঁরা ব্রিগেডেও পর্যাপ্ত কিপ্টেমি দেখাবেন, এতে আর আশ্চর্য কী?
কী জানি, সেদিন হয়ত কোনও একজনের ‘অনুপ্রেরণা’য় পাতাজোড়া ঢাউস ঢাউস বিজ্ঞাপন চলে আসবে। ব্যাস, তাহলে আর প্রথম পাতায় জায়গা থাকবে না। ভেতরের পাতায় কোথাও ছেপে যথাসম্ভব গুরুত্বহীন করে দেখানো যাবে।
আর এই ডাক্তাগুলোও হয়েছে সেই রকম। তা বলি, হ্যাঁ বাছা। এত সেজেগুজে এসে ফ্রি তে যে এত টিপস দিয়ে যাচ্ছো, তার সাইড এফেক্টটা বুঝলে না! হঠাৎ করে মানুষ যদি এত স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে ওঠে, তোমাদের কাছে তো কেউ যাবে না। তোমার অমন সুন্দর সাজানো চেম্বারে বসে মাছি তাড়াতে তোমার ভাল লাগবে? অবাক পৃথিবী।
কুমারস্বামী কী বললেন, আর বাংলার মিডিয়া কী বুঝল! যদি তিনি সত্যিই মমতাকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাইতেন, তাহলে ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বলতে পারতেন। তাঁর সরকার টিকে আছে কংগ্রেসের সমর্থনে। তাঁর পক্ষে প্রকাশ্যে অন্য কারও হয়ে গলা ফাটানো সম্ভব? কিন্তু বাংলার মিডিয়া তুষ্ট করতেই ব্যস্ত। তাই নিজেদের মূর্খ প্রমাণ করতেও তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। লিখেছেন নির্মল দত্ত।
নেতাজি ও হিটলারের সাক্ষাৎ সম্পর্কে একটি কাহিনী প্রচলিত আছে। কতটা সত্যি, কতটা কল্পনা জানা নেই। তবু এটা জানা দরকার। প্রচলিত সেই কাহিনি তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।
স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না? তাঁকেও দু–চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।
এত চেষ্টা করেও কেশিয়ারিতে কাউকে ভাঙানো গেল না। সেই দুঃখে আবার বোর্ড গঠন স্থগিত। প্রশাসনের ব্যাখ্যা, আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। তার মানে, তৃণমূল হারলেই আইন শৃঙ্খলার সমস্যা হয়! শাসক দলের কাছে এটা কতটা লজ্জার, তা বোঝার মতো বুদ্ধি কি তাঁদের আছে! লিখেছেন অজয় কুমার।
ব্রিগেডে কারা বক্তা হবেন? নানা মহলেই চলছে আলোচনা। এবার যদি নতুন চমক দেওয়া যায়! সুধাকর রেড্ডি, নরেন চ্যাটার্জি, বিমান বসুদের বদলে যদি কানহাইয়া কুমার, আলি ইমরান (ভিক্টর), শতরূপ ঘোষদের তুলে ধরা হয়! সিনিয়ররা মঞ্চে থাকুন। কিন্তু বক্তা হিসেবে এই তরুণ তুর্কিরা কিন্তু ব্রিগেড জমিয়ে দিতে পারেন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
মজিদ বাসকারের সন্ধান পাওয়া গেল। তারপরেও কলকাতার মিডিয়া জগৎ কার্যত উদাসীন থেকে গেল। একটি কাগজে বেরিয়েছে, অতএব বাকিরা চেপে গেলেন। আসলে, নিজেদের দেউলিয়াপনাই আবার প্রকাশ করে ফেললেন। বেঙ্গল টাইমসের মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়েই লিখলেন সরল বিশ্বাস।।
পাশে আশা ভোসলের মতো কিংবদন্তি বসে আছেন। কারও কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই! কারও মধ্যে কোনও রোমাঞ্চ নেই! সবাই দিব্যি মোবাইলে খুচুর খুচুর করে চলেছেন! আশাজির সঙ্গে ঘোরেন বলে দুনিয়ায় ফাটিয়ে বেড়ান। অথচ, সেই আশাজিকেই এই উপেক্ষা!
শোভা মণ্ডলের দুটি কবিতা সন্ধ্যা মালতী অন্তিম প্রহরে জন্ম আমার ভোরের আলোয় ফোটা ফুল নই অস্তরাগের সন্ধ্যা–মালতী চাঁদের আলোয় স্নাত হই। ষোড়শীর পায়ে চলি না আমি চলন আমার ভারী...