হারিয়ে যাচ্ছে ব্যান্ড পার্টি
কত স্মৃতি, কত আবেগ জড়িয়ে। কত বিয়েবাড়ি, কত অনুষ্ঠানে বেজে উঠত ব্যান্ড পার্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন হারিয়ে যাচ্ছে সেই ঐতিহ্য। ব্যান্ড পার্টির সেকাল একাল নিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।
কত স্মৃতি, কত আবেগ জড়িয়ে। কত বিয়েবাড়ি, কত অনুষ্ঠানে বেজে উঠত ব্যান্ড পার্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন হারিয়ে যাচ্ছে সেই ঐতিহ্য। ব্যান্ড পার্টির সেকাল একাল নিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।
এ নির্জন কোপাই পাড়ে বাউল শুনতে পাব ভাবতেই পারিনি। আনন্দের শিহরণ বয়ে গেল মনের ওপর দিয়ে। বাউলদের জন্য চায়ের ওর্ডার দিয়ে জমিয়ে বসলাম সকলে। গানগুলো বড্ড ভাবিয়ে দিয়ে গেল আমাদের। স্বর্ণালী সকালটা আরও মধুর হয়ে উঠল। সন্দীপ লায়েকের লেখায় উঠে এল কোপাই তীরের কিছু সুন্দর মুহূর্ত।।
যাঁরা দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাঁরা ফেসবুক বা হোয়াটস অ্যাপ করেন। হাতের সমস্যা তো আছেই। ঘাড় গুঁজে এইসব কাজ করার ফলে মেরুদণ্ডের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে স্নায়ুতন্ত্রে। অনেকক্ষেত্রে সার্জারিরও প্রয়োজন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পাইনাল কডের সমস্যা থেকে যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়।
দুপাশে ঘন জঙ্গল। চোখের সামনে মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে। তার মাঝ দিয়ে আপনার গাড়ি এগিয়ে চলেছে। একটা ছবির মতো সুন্দর গ্রাম। সবমিলিয়ে বড়জোর একশো পরিবারের বাস। নিরিবিলি, শুনশান একটা পাহাড়ি গ্রাম।চটকপুর থেকে ফিরে এসে লিখলেন দেবাঞ্জন চক্রবর্তী।।
অনেকে জানতেন, শরীর খারাপ। সরকারিভাবে সেটাই বলা হয়েছিল। কিন্তু আসলে, কলকাতায় ফিরতে ভরসা পাচ্ছিলেন না উত্তম কুমার। যদি সেই দল আবার হানা দেয়। যদি কোনও অঘটন ঘটিয়ে ফেলে।কিন্তু কারা উত্তম কুমারকে শাসিয়েছিলেন ? কেনই বা শাসিয়েছিলেন ? শোনা যায়, নকশালদের একটি গোষ্ঠী নাকি এর সঙ্গে যুক্ত।
সৌরভ, যতই ব্যস্ত থাকুন, সৃজিতের শেষদিকের কয়েকটা ছবি দেখুন। দেখতে ইচ্ছে না করলেও জোর করে দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন, রিসার্চের নামে কীসব গাঁজাখুরি করেছেন এই পুচ্ছপাকা পরিচালক। সব ভক্তি উড়ে যাবে। এমন লোককে দিয়ে বায়োপিক করানোর আগে সচেতন হওয়া ভাল। আর যাই করুন, সৃজিতের পাল্লায় পড়বেন না। নন্দ ঘোষের কড়চায় সৌরভকে এমনই পরামশ দিলেন নন্দ ঘোষ।
অনীক দত্ত যেটা বলেছেন, সেটা অনেকেরই মনের কথা। তিনি বলতে পেরেছেন, বাকিরা পারেননি, তফাত শুধু এইটুকুই। এত এত কবি, লেখক, গায়ক, নায়ক, পরিচালক, চিত্রশিল্পী রয়েছেন। তাঁরা বরং ভাবুন, সে সহজ কথাটা সহজভাবে অনীক দত্ত বলতে পারলেন, বাকিরা কেন সেটা পারলেন না। ‘অনু্প্রেরণা’ সত্যিই বড় ভয়ঙ্কর জিনিস। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
যেই ডাবল সেঞ্চুরি করলেন, অমনি শত্রু খুঁজতে বেরিয়ে পড়লেন মনোজ তেওয়ারি। বুঝিয়ে দিলেন, ক্রিকেটে মন ছিল না, কে কী বলেছে, সে ব্যাপারেই যেন বেশি চিন্তিত ছিলেন। সমালোচকদের মুখে কাল্পনিক সংলাপও বসিয়ে দিলেন। ডাবল সেঞ্চুরি যেন গায়ের ঝাল মেটানোর হাতিয়ার। ব্যাটসম্যান মনোজ নিজেকে প্রমাণ করলেন, অধিনায়ক মনোজ ফের একধাপ নেমে গেলেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
ঘরের কাছেই বাংলাদেশ। অনেকের জন্ম, বেড়ে ওঠা। কারও পূর্বপুরুষের ভিটে। কখনও যাওয়াই হয়নি। সেই সুযোগই এনে দিচ্ছে ভারতীয় রেল। চালু হচ্ছে ভিটে পর্যটন। অভিনব এই পর্যটনের হদিশ বেঙ্গল টাইমসে।