রাষ্ট্রের কাছে ব্রাত্যজন, তবু সঙ্গীত রুদ্ধ হয়নি

কখনও ক্ষমতার চোখরাঙানিকে পরোয়া করেননি। তাই রাষ্ট্রও মুখ ফিরিয়েই থেকেছে। জনতার হৃদয়ে, তবু রাষ্ট্রের কাছে তিনি যেন ব্রাত্যজন। তবে রুদ্ধসঙ্গীত নয়। গলা ছেড়েই গান গেয়েছেন। জোটেনি পদ্মশ্রীও। তাতে কী? মহাকালের বিচারে কে জয়ী ? লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

শারদ সংকলনঃ লেখা পাঠিয়ে রাখুন

গত বছরের মতো এবারও। বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন। প্রকাশিত হবে পুজোর অনেক আগেই।এখন থেকেই তার প্রস্তুতি। থাকবে অণু উপন্যাস, গল্প, অণু গল্প, ফিচার। সিনেমা, ভ্রমণ, খেলা নিয়েও থাকবে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন।

একই গান, টেক্কা দিয়ে গেছেন অন্যদের

একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

বাংলার পর্যটনঃ আমাদের কি কোনও দাযিত্ব নেই?

আমার বন্ধুদের অনুরোধ, আপনারাও নিজেদের ওয়ালে উত্তরবঙ্গকে তুলে ধরুন। অন্য কেউ ভাল ছবি পোট করলে নিজের ওয়ালে তা শেয়ার করুন। এইভাবেই আমরা একটু একটু করে এগিয়ে দিতে পারি আমাদের প্রিয় উত্তরবঙ্গকে।

কিশোর নন, বঞ্চিত বেচারা ফিল্মফেয়ার

রাষ্ট্রের কাছে কিশোর ছিলেন ব্রাত্য। কিন্তু ফিল্মফেয়ার!‌ হিসেবে বলছে, আটবার এই পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু যে গানগুলোর জন্য পেলেন, আর যে গানগুলোর জন্য পেলেন না, তা একবার মিলিয়ে দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন, ফাঁকিটা কোথায়। বছর ধরে ধরে, সেই হিসেবটাই মেলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

বন্ধুত্ব দিবসে বেঙ্গল টাইমস

বেঙ্গল টাইমসেও একটু অন্যভাবে দিনটিকে স্মরণ করবে। বন্ধুত্ব নিয়ে নানা আঙ্গিক থেকে থাকবে আকর্ষণীয় কিছু লেখা। থাকবে কিছু বিখ্যাত জুটির কথা।

বৃষ্টির মাঝে, সেই আগন্তুক

বোঝা গেল, একসময় বেশ ভালই খেলতেন। প্র্যাকটিসের অভাব থাকলেও পায়ের শিল্পে মরচে পড়েনি। দূর থেকে নেওয়া একটা শটে গোলও করলেন। পাঁচ মিনিটের মাথায় আরও একটা। এটা অবশ্য হেড করে। আরও একটা গোলের সুযোগ এসে গেল। চাইলে হয়ত হ্যাটট্রিক করতেই পারতেন। কিন্তু তা না করে আমাকে পাস বাড়ালেন।

পোস্ত বিক্রি আইনি, অথচ চাষ বেআইনি, এ কেমন আজব নিয়ম!

প্রায় অধিকাংশ হাটমশলার দোকানেই পোস্ত পাওয়া যায়। শপিং মলেও পাওয়া যায়। অনলাইনেও পাওয়া যায়। লুকিয়ে চুরিয়ে নয়, একেবারে প্রকাশ্যেই। পোস্ত বিক্রি চলতে পারে। অথচ, পোস্তর চাষ চলবে না। এ কেমন নিয়ম?‌

স্মৃতিটুকু থাক

অনেক স্মৃতি জমে থাকে। না বলা কথা হয়েই থেকে যায়। ছেলেবেলার কোনও বন্ধুর কথা মনে পড়ছে ? কোনও মাস্টারমশাই বা আত্মীয়দের কথা মনে পড়ছে ? কোনও সুখস্মৃতি ভাগ করে নিতে...

সাঁচির সন্ধানে

সমতল থেকে বেশ অনেকটা ওপরে সাঁচির স্তূপ।পাথুরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেই জল এবং খাদ্যের আবদারকে অগ্রাহ্য করতে পারিনি । তাই ওপরে একটি চটিতেই জল খাবার সেরে ফেলি। অবশেষে বুদ্ধের দর্শন, ছোট বড় অসংখ্য মূর্তি রয়েছে, তবে অধিকাংশই মস্তকহীন । দেখার মধ্যে দুটি স্তুপ আর কিছু প্রায় ভগ্ন মন্দির । লিখে্ছেন শোভন চন্দ।।