ইচ্ছে ছিল, কিশোর কুমারকে নিয়ে তথ্যচিত্র বানানোর। কিন্তু কিশোরের কিছুতেই সময় হচ্ছিল না। ফলে, বারবার পিছিয়ে যেতে হচ্ছিল সন্দীপ রায়কে। কিশোরের মৃত্যুর পর সেই কাজে নেমে পড়লেন। ছবির নাম ‘জিন্দেগি কা সফর’। তুলে আনলেন অন্য এক কিশোরকে। সন্দীপের ক্যামেরার সামনে দিকপালরা কে কী বলেছিলেন, একবার শুনে নেওয়া যাক। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।
কখনও ক্ষমতার চোখরাঙানিকে পরোয়া করেননি। তাই রাষ্ট্রও মুখ ফিরিয়েই থেকেছে। জনতার হৃদয়ে, তবু রাষ্ট্রের কাছে তিনি যেন ব্রাত্যজন। তবে রুদ্ধসঙ্গীত নয়। গলা ছেড়েই গান গেয়েছেন। জোটেনি পদ্মশ্রীও। তাতে কী? মহাকালের বিচারে কে জয়ী ? লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
গত বছরের মতো এবারও। বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন। প্রকাশিত হবে পুজোর অনেক আগেই।এখন থেকেই তার প্রস্তুতি। থাকবে অণু উপন্যাস, গল্প, অণু গল্প, ফিচার। সিনেমা, ভ্রমণ, খেলা নিয়েও থাকবে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন।
একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।