রাত দশটা থেকে এগারোটা, কীরকম প্যাসেঞ্জার, এগারোটা থেকে বারোটা কী রকম প্যাসেঞ্জার, একটা মোটামুটি হিসেব থাকবে তো। যদি চারজন যাত্রী পিছু একটি ট্যাক্সিও ধরি, তাহলে কতগুলো ট্যাক্সি দরকার হতে পারে, তার ধারনা থাকবে না? এমন তো নয় যে রাতের দিকে শহরে ট্যাক্সি চলে না। তাহলে পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে বা ট্যাক্সি ইউনিয়নের সঙ্গে বসতে আপত্তি কোথায়? রাতের দিতে যেন পর্যাপ্ত ট্যাক্সি থাকে, সেই অনুরোধ তো করা যেতে পারে। হাওড়ায় নতুন কমিশনারেট হয়েছে। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্যোগগুলো কি আদৌ নেওয়া হয়েছে? নেওয়া হলেও তার ফলো আপ হয়েছে?
এবার থেকে সাহিত্য বিভাগকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু আমন্ত্রিত লেখা যেমন থাকবে, তেমনি পাঠকের জন্যও দরজা খোলা। তাঁদের সামনেও থাকছে লেখক হয়ে ওঠার সুযোগ। চাইলে, আপনারাও লেখা পাঠাতে পারেন।
কী বলবেন সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে? পর্বতের মুষিক প্রসব ছাড়া আর কোনওকিছুই মাথায় আসছে না। অনেকে হয়ত অবাক হচ্ছেন। অনেকে বলছেন, দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু কেন জানি না, মনে হচ্ছে, এটাই তো হওয়ার ছিল। সুপ্রিম কোর্ট যে এরকম একটি প্রকাণ্ড অশ্বডিম্ব প্রসব করতে চলেছে, তা আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। লিখেছেন ধীমান সাহা।
আসলে, চিত্রনাট্যে এমনটাই ছিল। নানা মহলের বৈঠক হবে। সেই বৈঠক ব্যর্থ হবে। অবশেষে, দুপক্ষকে নিয়ে বসবেন তিনি। এবং মুশকিল আসান হয়ে উঠবেন। তাঁর এত টেলি অ্যাকাডেমি, এত এত প্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক— তাঁরা মেটাতে পারলেন না কেন?
সেই যে রবি ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া/ ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া/ একটি ধানের শিষের উপরে একটি শিশির বিন্দু’- কবিতাটির সঙ্গে অনেকেরই পরিচয় ভাবসম্প্রসারণের সূত্রে। অথবা,...
পোসেনজিৎ যত বড়ই নায়ক হোক, শ্রাবন্তী–মিমিরা যত বড়ই নায়িকা হোক, রাজ–অরিন্দমরা যত বড়ই পরিচালক হোক, আসল চিত্রনাট্য তাঁর হাতে। মনে রাখবেন, তিনি কিন্তু সিরিয়াল দেখেন।
মুখে বলছেন, বাজপেয়ী তাঁর আদর্শ। কিন্তু বাজপেয়ীর আদর্শ মেনে চলার সদিচ্ছা কি সত্যিই প্রধানমন্ত্রীর আছে? অন্তত তাঁর কাজকর্ম বা আস্ফালন তেমনটা বলছে না। তবে কি ফের ভোট যুদ্ধে বাজপেয়ীকে কাজে লাগানোর চেষ্টা? লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
সিরিয়াল মানে কিন্তু এমনটা ছিল না। বছর দশেক আগেও বেশ উপভোগ্য কিছু সিরিয়াল হত। এখন যাঁরা সিরিয়ালে সকাল থেকে সন্ধে ডুবে আছেন, তাঁদের প্রতি সত্যিই করুণা হয়। তাঁরা আসল সিরিয়ালের স্বাদ বোধ হয় পাননি।
রাষ্ট্রের কাছে কিশোর ছিলেন ব্রাত্য। কিন্তু ফিল্মফেয়ার! হিসেবে বলছে, আটবার এই পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু যে গানগুলোর জন্য পেলেন, আর যে গানগুলোর জন্য পেলেন না, তা একবার মিলিয়ে দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন, ফাঁকিটা কোথায়। বছর ধরে ধরে, সেই হিসেবটাই মেলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
একটা দার্জিলিংয়ের আড়ালে আরও কত জনপদ রয়ে গেল। আমরা কতটুকুই বা খোঁজ রাখি। আমরা শুধু দার্জিলিংয়ে গিয়ে ভিড় জমাই। নাম না জানা কত ঠিকানা আমাদের অজানাই থেকে যায়। লিখেছেন তিস্তা ঘোষাল।