কখনও তাঁরা পরিচালক। কখনও প্রযোজক। বাংলা ছবিকে ক্রমশ সমৃদ্ধ করছেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়–নন্দিতা রায়। একসঙ্গে তিন–তিনটি ছবি। একটি পুজোয়, একটি বড়দিনে, একটি নতুন বছরের গোড়ায়। মুক্তির তারিখও আগাম ঘোষণা হয়ে গেল। তিনটি ছবির নিয়ে আলোকপাত বেঙ্গল টাইমসে।
বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন: অঢেল টাকা থাকলে যা হয়! যত্রতত্র তা ওড়ানো যায়। অনেককে দাক্ষিণ্য দিয়ে তুষ্ট রাখা যায়। বিধায়ক–সাংসদদের মাইনে নিয়ে আমরা এত হইচই করি। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটে নির্বাচকদের মাইনে...
বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ: স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ ভোলেবাবা যাওয়ার সেই স্মৃতি সেইসঙ্গে গঞ্জিকা সেবন করে নদীর পাড়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার কাহিনি।
পর্দায় আবার শ্রীকান্ত। তবে মহানানয়ক নন, এবার শরতের ক্লাসিক চরিত্রে ঋত্বিক চক্রবর্তী। রাজলক্ষ্মী তাহলে কে? এই শ্রীকান্ত কোন সময়ের? রেঙ্গুন নাকি কলকাতা? আউটডোরই বা কোথায়?
গাড়ি ভাঙচুরের পরও থানায় গেলেন না। হ্যাঁ, এটাও একটা প্রতিবাদ। জোরালো এক অনাস্থা। যা অনেক হুঙ্কারের থেকেও বেশি কার্যকরী। এই জন্যই শমীক ভট্টাচার্যরা অন্যরকম। এই জন্যই এত আগাছার ভিড়েও তাঁদের আলাদা করে চেনা যায়। লিখেছেন অজয় কুমার।
গেছেন লন্ডনে ধারাভাষ্য দিতে। ডাক পেয়েছেন এমসিসি–র মিটিয়ে। সেই মিটিং থেকে সেলফি তুলে খাঁচিয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকেও কিনা সেলফি তুলে নিজের ঢাক পেটাতে হচ্ছে! বাংলার মহারাজের জন্য এবার কলম ধরলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।
আমাদের দেশেও তো সেই এক সমস্যা। পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে, অহেতুক রাত জাগছে, নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে, কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না? লিখেছেন নিবেদিতা পাল।।
বেঙ্গল টাইমসের সাহিত্য বিভাগকে আরও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। কবিতা, অণু গল্প, ছোট গল্প, স্মৃতিচারণ, রম্যরচনা— এসব আগেও থাকত। তবে কিছুটা অনিয়মিত। বলা যায়, বিরাট কিছু গুরুত্ব পেত না। কিন্তু এবার থেকে এই বিভাগকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু আমন্ত্রিত লেখা যেমন থাকবে, তেমনি পাঠকের জন্যও দরজা খোলা।
এই অনাস্থা ভোটে সরকার পড়বে না, সেটা সবাই জানত। সেই ভোটে জেতার পরে নিজে নিজেই সংবর্ধনা নিলেন প্রধানমন্ত্রী। আদবানি থেকে রাজনাথ, অমিশ শাহ থেকে সুষমা–সবাই তাঁকে মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। এমন একটা ছবিই ভারতীয় রাজনীতির চালচিত্রটা বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
ইচ্ছে ছিল, কিশোর কুমারকে নিয়ে তথ্যচিত্র বানানোর। কিন্তু কিশোরের কিছুতেই সময় হচ্ছিল না। ফলে, বারবার পিছিয়ে যেতে হচ্ছিল সন্দীপ রায়কে। কিশোরের মৃত্যুর পর সেই কাজে নেমে পড়লেন। ছবির নাম ‘জিন্দেগি কা সফর’। তুলে আনলেন অন্য এক কিশোরকে। সন্দীপের ক্যামেরার সামনে দিকপালরা কে কী বলেছিলেন, একবার শুনে নেওয়া যাক। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।