বোঝা গেল, একসময় বেশ ভালই খেলতেন। প্র্যাকটিসের অভাব থাকলেও পায়ের শিল্পে মরচে পড়েনি। দূর থেকে নেওয়া একটা শটে গোলও করলেন। পাঁচ মিনিটের মাথায় আরও একটা। এটা অবশ্য হেড করে। আরও একটা গোলের সুযোগ এসে গেল। চাইলে হয়ত হ্যাটট্রিক করতেই পারতেন। কিন্তু তা না করে আমাকে পাস বাড়ালেন।
প্রায় অধিকাংশ হাটমশলার দোকানেই পোস্ত পাওয়া যায়। শপিং মলেও পাওয়া যায়। অনলাইনেও পাওয়া যায়। লুকিয়ে চুরিয়ে নয়, একেবারে প্রকাশ্যেই। পোস্ত বিক্রি চলতে পারে। অথচ, পোস্তর চাষ চলবে না। এ কেমন নিয়ম?
অনেক স্মৃতি জমে থাকে। না বলা কথা হয়েই থেকে যায়। ছেলেবেলার কোনও বন্ধুর কথা মনে পড়ছে ? কোনও মাস্টারমশাই বা আত্মীয়দের কথা মনে পড়ছে ? কোনও সুখস্মৃতি ভাগ করে নিতে...
সমতল থেকে বেশ অনেকটা ওপরে সাঁচির স্তূপ।পাথুরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেই জল এবং খাদ্যের আবদারকে অগ্রাহ্য করতে পারিনি । তাই ওপরে একটি চটিতেই জল খাবার সেরে ফেলি। অবশেষে বুদ্ধের দর্শন, ছোট বড় অসংখ্য মূর্তি রয়েছে, তবে অধিকাংশই মস্তকহীন । দেখার মধ্যে দুটি স্তুপ আর কিছু প্রায় ভগ্ন মন্দির । লিখে্ছেন শোভন চন্দ।।
প্রশাসক হিসেবে তিনি সফল হবেন নাকি ব্যর্থ হবেন, জানি না। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কোন খাতে বইবে, তাও জানি না। কতটা সেনার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন, বলা মুশকিল। কেন জানি না, মন বলছে, বাকিদের থেকে তিনি আলাদা, এমন একটা ছাপ বিদায়বেলায় ঠিক রেখে যাবেন। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।