অনুপ্রেরণা কত ভয়ঙ্কর, বুঝল আই এফ এ
বুঝে দেখুন, আই এফ এ কেমন চলছে। বুঝে দেখুন, কারা গভর্নিং বডির সদস্য। একজনের খেয়াল হল, সভাপতি হবেন। অমনি সেই খেয়াল পূরণের ব্যবস্থা হয়ে গেল। সংবিধান সংশোধনও হয়ে যাবে। সত্যিই, অনুপ্রেরণা বড় ভয়ঙ্কর জিনিস।
বুঝে দেখুন, আই এফ এ কেমন চলছে। বুঝে দেখুন, কারা গভর্নিং বডির সদস্য। একজনের খেয়াল হল, সভাপতি হবেন। অমনি সেই খেয়াল পূরণের ব্যবস্থা হয়ে গেল। সংবিধান সংশোধনও হয়ে যাবে। সত্যিই, অনুপ্রেরণা বড় ভয়ঙ্কর জিনিস।
রায়গঞ্জের সেই প্রিসাইডিং অফিসার খুন হয়েছেন না আত্মহত্যা করেছেন? যদি আত্মহত্যা হয়, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী আগ বাড়িয়ে পাঁচ লাখা টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করলেন কেন? এ তো আত্মহত্যায় উৎসাহ দেওয়া। আর যদি খুন হয়, তাহলে খুনিকে না ধরে প্রতিবাদী শিক্ষকদের হেনস্থা কেন? লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
মুখ্যমন্ত্রীর দাদার ইচ্ছে হয়েছে, তিনি আই এফ এ সভাপতি হবেন। কিন্তু ভোট হলেও মুশকিল। এদিকে আই এফ এ কর্তারাও সংঘাতে যেতে চাইলেন না। অতএব, সমাধান সূত্র বেরিয়ে গেল। আই এফ এ–র সংবিধান বদলে তাঁকে সভাপতি করার ব্যবস্থা হয়ে গেল। বোঝা গেল, আই এফ এ–র বাইরেও তাহলে উন্নয়ন দাঁড়িয়ে থাকে।
রেলকর্তারা ভেবেছিলেন, হাতিকে বোকা বানাবেন। উল্টে হাতিই তাঁদের বোকা বানিয়ে বসে আছে। এত তাড়াতাড়ি এমন ব্যুমেরাং হবে, রেলকর্তারা ভাবতেও পারেননি।