আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।
মধুজা মুখোপাধ্যায় আচ্ছা ধরুন আপনি হলেন আমার মতো একজন হোমসিক মানুষ। সেখানে নিজের দেশ থেকে বহুদূরে আমেরিকার এক ছোট্ট শহরে একজন আমেরিকান লেখকের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে যদি তার শোবার ঘরে কাঁচের দেওয়াল...
অনেকেরই শৈশব কেটেছে পাণ্ডব গোয়েন্দা পড়ে। এখন তাঁদের ছেলেরা, নাতিরাও পড়ে পাণ্ডব গোয়েন্দা। কীভাবে লেখা হল এই গোয়েন্দা কাহিনী ? লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় ও পঞ্চুর অনেক অজানা কাহিনী। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।
কলকাতায় এক মঞ্চে লতা আর আশা ! হ্যাঁ, বছর পাঁচেক আগে এমনটাই ঘটেছিল। সেই স্বর্ণালী সন্ধ্যার স্মৃতি উঠে এল অভিরূপ অধিকারীর লেখায়।
প্রায় একদশক মুম্বইয়ে কেটে গেল। দেশ বিদেশে যে কোনও অনুষ্ঠানেই আসে লতাজির গানের অনুরোধ। এত শিল্পীর সঙ্গে অনুষ্ঠান করেছেন। লতা-আশাকে সম্পর্কে তাঁর অনুভূতি মেলে ধরলেন বিশিষ্ট গায়িকা কেকা ঘোষাল।।
এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।
পনেরোই আগস্ট মানেই বেজে উঠবে- ভারত আমার ভারতবর্ষ। কার লেখা, কার সুর? কজন জানেন ? গানটি লেখা হয়েছিল চারমূর্তি সিনেমায় চিন্ময় রায়ের লিপে! সেই গান এমন অমরত্ব পেয়ে গেল! এই গানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অজানা কথা তুলে ধরেলন সরল বিশ্বাস।।
ভোপাল থেকে মাত্র সোয়া এক ঘণ্টা। সম্রাট অশোকের দেশ। ইতিহাস যেন চুপি চুপি অনেক কথা বলতে চাইছে। সাঁচি স্তূপ থেকে ফিরে এসে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন শোভন চন্দ।
ধামাধরাদের ভিড়ে তিনি স্বতন্ত্র। তাঁর কণ্ঠে নতুন করে প্রাণ পেয়েছে হারিয়ে যাওয়া অনেক কবিতা। ২৫ বছর সঙ্গীত জীবনের অনুষ্ঠান রবীন্দ্র সদনে। তার আগে তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
কলকাতা ছেড়ে বম্বেতে চলে যেতে চেয়েছিলেন উত্তম কুমার? সেখান থেকেই বাংলা ছবি করতে চেয়েছিলেন ? কেন ? এখানে কি এমন ঘটেছিল যে আর বাংলায় ফিরতে চাইছিলেন না ? জানেত হলে পড়ুন।