২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে আমেদাবাগে এই দুই বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে দেখা যায়নি। শোনা যায়, বোর্ডকর্তারা নাকি তাঁদের আমন্ত্রণই জানাননি। অন্তত কপিলদেবকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তা তো তিনি নিজেই প্রকাশ্যে বলেছেন। এবার বোর্ডের বোধোদয় হয়েছে দেখে ভাল লাগল।
(ঠিক বছর দশ আগের কথা। মুকুল রায়কে নিয়ে তৈরি হয়েছিল অদ্ভুত এক জল্পনা। তিনি আসলে কোন দলে, তাই নিয়েই ছিল নানা ধোঁয়াশা। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)
কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।
মোহনবাগানের নতুন সভাপতি গীতানাথ গাঙ্গুলির ভূমিকা অনেকটা রামায়নের ভরতের মতোই। তাঁকে আপাতত সিংহাসনে খড়ম পাহারা দিতে হবে। আবার যেদিন টুটু বাবুর সভাপতি হওয়ার ইচ্ছে হবে, নিঃশব্দে সরে দাঁড়াতে হবে। লিখেছেন সোহম সেন।
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।
গেছেন লন্ডনে ধারাভাষ্য দিতে। ডাক পেয়েছেন এমসিসি–র মিটিয়ে। সেই মিটিং থেকে সেলফি তুলে খাঁচিয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকেও কিনা সেলফি তুলে নিজের ঢাক পেটাতে হচ্ছে! বাংলার মহারাজের জন্য এবার কলম ধরলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।
স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ একটি ছাতা ও এক মাস্টারমশাইয়ের কাহিনি।
(ক্লিক করুন, পড়ুন)।
সুবাস ঘিসিংয়ের নামে একটি রাস্তা। কিন্তু সেই রাস্তার আড়ালে কত মুখ বদলে গেল! কত বয়ান বদলে গেল! বিনয় তামাং, মমতা ব্যানার্জি, মন ঘিসিং – সবাই কেমন নিজের নিজের অঙ্ক বুঝে নিলেন! কার কী অঙ্ক? তাই নিয়েই লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
কুণাল ঘোষকে অপছন্দ করেন? করতেই পারেন। সেটা আপনার অধিকার। কিন্তু তাঁর লেখাকে ফুৎকারে উড়িয়ে দেবেন? বলতেই হচ্ছে, আপনি তাঁর লেখা পড়েননি। একেবারে ভিন্নস্বাদের এক উপন্যাস। একটি মেয়ের উঠে আসার, লড়াই করার কাহিনী।