সেই বই শুধু উপহার নয়, স্বীকৃতি

কাজের সূত্রে আলাপ। কিন্তু মাঝে ফুটবল আর ইস্টবেঙ্গল। আলাপ থেকে ঘনিষ্ঠ হতে আর কী চাই!‌ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহ মিলিয়ে চমৎকার একটা সম্পর্ক। শান্ত মিত্রর প্রয়াণে কলম ধরলেন তাঁরই বিশেষ স্নেহভাজন কুণাল দাশগুপ্ত।।

সত্যজিৎ রায়কে খোলা চিঠি

আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।

আমার আবদারেই হয়েছিল সোনার কেল্লা

একেবারে কাছ থেকেই দেখেছেন। ছেলে হিসেবে, সহকারী হিসেবে, বন্ধু হিসেবে। সন্দীপ রায়ের স্মৃতিচারণে উঠে এল অচেনা এক সত্যজিৎ রায়ের কথা।

যেজন ছিলেন নির্জনে

কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।

এখনও তিনি মুকুল

সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৪ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।