পুরানো সিরিয়াল ফিরিয়ে আনা যায় না?

যাঁরা সারাদিন সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা বোধ হয় জানেন না আটের দশক বা নয়ের দশকে কেমন সিরিয়াল হত। তেরো পার্বন, সেই সময়, আদর্শ হিন্দু হোটেল- এসব কালজয়ী সিরিয়ালকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় না? টিভি চ্যানেলগুলির কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।

ভিজে যাওয়া সেই লোকটা

বেঙ্গল টাইমসে শুরু হল নতুন বিভাগ। স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ পড়ুন বর্ষার বিকেল ও এক আগন্তুকের কথা।

নঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি

কয়েকদিন আগের কথা। অমল দত্ত তখন গুরুতর অসুস্থ। সেই সময়েই মোহনবাগান রত্ন হিসেবে ঘোষণা হয় সৈয়দ নঈমুদ্দিনের নাম। নঈমের বয়ানে মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্রকে সুন্দর চিঠি লিখেছিলেন ময়ূখ নস্কর। দাবি ছিল, আমাকে নয়, এবার মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হোক অমল দত্তকে। সেই লেখা আবার প্রকাশ করা হল। যাঁরা তখন পড়েননি, তাঁরা এখন অবশ্যই পড়ুন।

আরও একটা ভুল, আর কত ভুল করবেন?

বাংলায় জোট ছিল। কই, কেরলে ক্ষমতায় আসতে তো সমস্যা হয়নি। বা কেরলে কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই হয়েছে। বাংলার গ্রামাঞ্চলে বাম-কংগ্রেস একসঙ্গে মিছিল করতে সমস্যা হয়নি। নিচুতলার কর্মীরা বাস্তবতা বোঝেন, বোঝেন না ঠান্ডা ঘরের নেতারা। তাই কর্মীদের মনোভাব বা আবেগ না বুঝেই আরও একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

ন্ঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি

অমল দত্ত থাকতে আমি! প্লিজ, ক্ষমা করুন। আমাকে আপনারা পরেও মোহনবাগান রত্ন দিতে পারবেন। কিন্তু এবার এই সম্মানটা অমলদাকে দিন। সেই পুরস্কার আমি তুলে দেব। সেটাই হবে আমার গুরুদক্ষিণা। নঈমুদ্দিনের বয়ানে মোহনবাগান কর্তাদের এমনই এক আর্জি জানালেন ময়ূখ নস্কর।

যেখানেই তারুণ্য, সেখানেই সাফল্য, এই সহজ সত্যিটা বুঝলেন?

দুদিনের রাজ্য কমিটির সভা। জোট নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা। তর্ক-বিতর্ক। পলিটবুরো, গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা। ভারি ভারি সব আলোচনা। বিপর্যয়ের আসল কারণগুলো নিয়ে আলোচনাই হল না। কোথায়, কেন সাফল্য, সেটুকুও আড়ালেই থেকে গেল। বিপর্যয়ের পরেও অন্য একদি দিকে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।।

পিকে, প্লিজ অমল দত্তর বাড়ি থেকে একবার ঘুরে আসুন

সিপিএম-তৃণমূল বা মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের লড়াই তো আছেই। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির বাগযুদ্ধ ? সবাইকে ছাপিয়ে যেতে পারে পিকে-অমল জুটি। সেই অমল দত্ত শয্যাশায়ী, বাকরুদ্ধ। কাউকে নাকি চিনতেও পারছেন না। পি কে ব্যানার্জি, প্লিজ আপনি একবার বাগুইআটির বাড়িতে যান। আপনার ভোকাল টনিক দিয়ে উজ্জীবিত করে আসুন চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে। কিংবদন্তি কোচকে নিয়ে মর্মস্পর্শী লেখা লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

লাল সেলাম লেপচা খা

দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।

যদি তিনি এমন শপথ নিতেন..

রেড রোডে আজ জমকালো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথের বয়ান কী হবে, মোটামুটি জানা। কিন্তু যদি অন্যরকম শপথ হত। যদি অকপটে সব মনের কথা বলতে পারতেন, যদি ভুলগুলো স্বীকার করে সেগুলো শুধরে নেওয়ার অঙ্গিকার করতেন! এমনই এক শপথবাক্যের খসড়া। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

তোমার লড়াইকে কুর্নিশ, শতরূপ

নিছকই একটি কাল্পনিক চিঠি। কী জানি, মনে মনে হয়ত এটাই সত্যিকারের চিঠি। জাভেদ খান যদি চিঠি লিখতে পারলেন, তাঁকে যদি বলা হত ভোটের পর শতরূপ ঘোষকে একটা চিঠি লিখতে, তিনি ঠিক কী লিখতেন ? কীভাবে দেখতেন কসবা কেন্দ্রে তরুণ-তুর্কি শতরূপের লড়াইকে ? দমকলমন্ত্রীর বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন প্রসূন বসু ।।