ইন্টারভিউ নিতে ডাকলেন সুচিত্রা সেন!
ফোন করে ডাকলেন। ইন্টারভিউ দিলেন। কিন্তু কিছুতেই ছবি তুলতে দিলেন না। কেমন ছিল সেই ইন্টারভিউ? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
ফোন করে ডাকলেন। ইন্টারভিউ দিলেন। কিন্তু কিছুতেই ছবি তুলতে দিলেন না। কেমন ছিল সেই ইন্টারভিউ? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
এখন তো ইন্টারনেটের যুগ। একটু সার্চ করলেই অনেক ছবির পোস্টার পেয়ে যাবেন। বা টিভিতেও মাঝে মাঝেই পুরনো ছবিগুলো দেখায়। ঘরে ডিভিডি থাকলে তো কথাই নেই। আরও ভাল করে ছবিগুলো দেখুন। টাইটেল কার্ডে সবার আগে সুচিত্রার নাম। আগে সুচিত্রা, তারপর উত্তম।
তিনি ছিলেন কিংবদন্তি সাংবাদিক। একইসঙ্গে সুচিত্রা সেনের বন্ধু। তিন বছর আগে সুচিত্রা বিদায় নিয়েছেন। তিনিও বিদায় নিলেন গত বছর। কীভাবে আলাপ? তিন বছর আগে সেই স্মৃতিই মেলে ধরেছিলেন বর্ষীয়াণ সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরি। সুচিত্রা সেনের মৃত্যুদিনে সেই স্মৃতিচারণ তুলে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।
বদলে গেল ছবির নাম। বাইশ বছরে সুচিত্রাও যে অনেক বদলে গিয়েছিলেন। লিখেছেন অভিরূপ অধিকারী।
সাফ কথা, উত্তম না থাকলে সুচিত্রা অচল। অথচ হরেক বায়নাক্কা। উত্তমের থেকে বেশি টাকা চাই। পোস্টারে নাম আগে থাকবে। কিন্তু অভিনয়? সত্যিকারের মহানায়িকা হলে, অন্যদের সঙ্গে ছবি হিট হত। যেমন হত উত্তমের। সুচিত্রার অভিনয় জীবনের তিনটে সম্বল। সন্ধ্যার গান, উত্তমের অভিনয় আর ঘাড় ঘুরিয়ে চোখ টেরিয়ে তাকানো। নন্দ ঘোষের শিকার এবার সুচিত্রা সেন।
একা সুচিত্রা, একা তিনি। একঘরে ঠিক একঘণ্টা পাঁচ মিনিট। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি রোমন্থন করলেন তুষার প্রধান।
নায়িকা সুচিত্রাকে অনেকেই চেনেন। কিন্তু তাঁকে গানও গাইতে হয়েছিল। কেন? অজানা সেই কাহিনী বেঙ্গল টাইমসের পাতায়।
ধরা যাক, আবার ফিরে এলেন সুচিত্রা সেন। কী কী হতে পারে? টিভি–র সান্ধ্য আসর থেকে মাওবাদী, ভবানী পাঠক থেকে হাসপাতালের রোগী। বিচিত্র সব প্রতিক্রিয়া তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।