স্মৃতিটুকু থাক
ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে দূরে থাকুন। খারাপ স্মৃতি তো সবারই থাকে। সেই কাদা ঘেঁটে, অন্যকে দোষারোপ করে লাভ কী? আমরা না হয় ভাল স্মৃতিগুলোকে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বেঙ্গল টাইমসের পাতায় সেই সুখস্মৃতি ভিড় করুক।
ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে দূরে থাকুন। খারাপ স্মৃতি তো সবারই থাকে। সেই কাদা ঘেঁটে, অন্যকে দোষারোপ করে লাভ কী? আমরা না হয় ভাল স্মৃতিগুলোকে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বেঙ্গল টাইমসের পাতায় সেই সুখস্মৃতি ভিড় করুক।
এই ঠান্ডায় স্নান! পাগল নাকি? রবীন্দ্রনাথ থেকে তৃণমূল। স্নান সম্পর্কে কার কী মতবাদ? তারই এক কাল্পনিক কোলাজ।
শহরজুড়ে গোলাপি টেস্টের আবহ। কলকাতা সেজে উঠেছে গোলাপি আলোয়। এই বাংলাতেই একটা শহর গোলাপি শহর হয়ে ওঠার পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিল। সেই শহরের ইতিকথা। লিখেছেন কুন্তল আচার্য।।
পুরুলিয়ার জয়চণ্ডী পাহাড়ই হল হীরক রাজার দেশ। মানে সেখানেই সিনেমাটার আউটডোর শুটিং হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে এসে দুটি মোক্ষম শিক্ষার কথা লিখলেন ময়ূখ নস্কর।
খুব দুর্গম নয়, খরচও তেমন নেই। পুরুলিয়া থেকে অনায়াসে বাসে পৌঁছে যেতে পারেন অযোধ্যা পাহাড়ে। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল, এখন তাও নেই। পুজোর আমেজ থাকতে থাকতেই ঘুরে আসুন। হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
সুশান্ত ঘোষের মান–অভিমান থাকতেই পারে। পাশাপাশি, তাঁর ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে দলেরও প্রশ্ন থাকতে পারে। মুখোমুখি আলোচনায় কিছুটা সমাধান হলেও হতে পারে। কিন্তু তার বদলে যে পথে দল হাঁটছে, তা হঠকারী হয়ে দাঁড়াতে পারে। সুশান্ত ঘোষের মতো সাহসী ও লড়াকু নেতাদের বিপক্ষ শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়া বিচক্ষণতার কাজ নয়। ওপেন ফোরামে লিখেছেন শান্তনু দাম।
পোস্ত তো আকাশ থেকে পড়ে না। কোনও কারখানাতেও হয় না। তার মানে, কোথাও না কোথাও চাষ হয়। তাহলে, সেখানে চাষ হওয়া আইনি, অথচ আমাদের রাজ্যে বেআইনি।এমনটা কেন হবে? লিখেছেন সজল মুখার্জি।
একেক দিন হোটেলের ভাড়া একেক রকম। অনেক হোটেলেই নির্দিষ্ট কোনও রেট কার্ড নেই। কোথাও কোথাও তিন চার রকম চার্ট করা আছে। অনেকদিন ধরেই চলছে। মুখ্যমন্ত্রী হোটেল ভাড়া নিয়ে ক্ষোভ দেখালেন ঠিকই। কিন্তু সুরাহা হবে বলে মনে হয় না। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।
পুর নির্বাচন ছিল কার্যত প্রহসন। চেয়ারম্যান হয়েছিলেন সৌমিক সোসেন। তার পরেও দল ভাঙানো, হুমকি দেওয়ার ভুরি ভুরি অভিযোগ। দুর্নীতি, কাটমানি, ঔদ্ধত্য— এসব তো ছিলই। দলের আনা অনাস্থাতেই সরে যেতে হল কীর্তিমান সৌমিককে।
বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা এবার বোধ হয় ফুরোলো। কোথাও কোথাও এর মধ্যেই বৃষ্টি শুরু। দক্ষিণবঙ্গ ভিজবে শুক্রবার থেকেই। নিম্নচাপ আসছে। একদিকে উত্তরবঙ্গ ভাসছিল, অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গ চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছিল বৃষ্টির জন্য। অবশেষে, স্বস্তির বৃষ্টি আসতে চলেছে।