‌বেঙ্গল টাইমস মহালয়া সংখ্যা

এবার থেকে সেই ই ম্যাগাজিন নিয়মিত প্রকাশিত হবে। আপাতত মাসে দুবার। জানুয়ারি থেকে মাসে চারবার। প্রতি সপ্তাহেই শনিবার অথবা রবিবার প্রকাশিত হবে এই বিশেষ ই ম্যাগাজিন। আপাতত এই ই ম্যাগাজিনটি পড়ুন।

‌একটি স্মরণসভা ও কিছু অপ্রিয় প্রশ্ন

অনিল বসুর স্মরণসভায় সুশান্ত ঘোষ গেলে কী এমন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে!‌ বহিষ্কৃত হয়েও মনে মনে দলের অনুগতই থেকেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর পুরানো তিক্ততা টেনে আনা কি খুব জরুরি!‌ সোমনাথ চ্যাটার্জিও তো বহিষ্কৃতই ছিলেন। কই, শ্রদ্ধায় তো কার্পণ্য ছিল না। তাহলে, এক্ষেত্রে এই ফতোয়া কেন?‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

‌সবুজ বনানীর কোলে অযোধ্যা পাহাড়

খুব দুর্গম নয়, খরচও তেমন নেই। পুরুলিয়া থেকে অনায়াসে বাসে পৌঁছে যেতে পারেন অযোধ্যা পাহাড়ে। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল, এখন তাও নেই। পুজোর আমেজ থাকতে থাকতেই ঘুরে আসুন। হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।

লতার গানে কেঁদে ফেলেছিলেন নেহরু!

অ্যায় মেরে ওয়াতন কি লোগো। স্বাধীনতা দিবস আর এই গান যেন সমার্থক। কীভাবে তৈরি হল এই গান ? কোথায় প্রথম গাওয়া হয়েছিল। কাদের সামনে ? কেন কেঁদে ফেলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ? পড়ুন, জেনে নিন।

ভাল করে ভাবুন, লতার তেমন কৃতিত্বই নেই

সকাল থেকেই রেডিওতে লতা মঙ্গেশকারের গান। শুনে ফেলেছেন নন্দ ঘোষ। তাঁর দাবি, লতাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ি করা হয়। তাই নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, কার ঘাড়ে কটা মাথা ? অতএব, তিনি বেসুরো গেয়েই ফেললেন। পড়ুন।

চেনা লতা, অচেনা লতা

আমি নিজের গান একেবারেই শুনি না। শুনলেই মন খারাপ হয়ে যাবে। মনে হবে, এটা এভাবে না করে অন্যভাবে করলে ভাল হত। মনে হবে, এই সুরটা অন্যরকম হতে পারত। সাতের দশকে যা ভাল লেগেছিল, এত বছর পর তা ভাল নাও লাগতে পারে। তাই নিজের গান থেকে আমি দূরে দূরেই থাকি।
সঙ্গীত কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরের জীবনের অনেক অজানা কথা উঠে এল একটি সাক্ষাৎকারে। জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।।