রাজা নীলমনি সিংহরাও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। সিপাহী বিদ্রোহের সময় পুরুলিয়া ট্রেজারি লুঠ তাঁর আমলেই হয়েছিল। প্রায় তিনমাস পুরুলিয়া ইংরেজ শাসন মুক্ত ছিল। শোনা যায়, এখানে নবরত্ন সভাও বসত। বসতো ভাদু, ঝুমুর ও বিষ্ণুপুর ঘরানার সংগীতের আসর।কাশীপুর রাজবাড়ি থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সন্দীপ লায়েক।
এমন ন্যক্কারজনক কাণ্ডের পরও প্রশাসন ওই দুর্বৃত্তদের পাশে দাঁড়াতে পারে! এর পরেও মুখ্যমন্ত্রী কিনা দুর্বৃত্তদরে হয়েই ব্যাটিং করলেন! বোঝাই যাচ্ছে, এত সাহস তারা পায় কোথা থেকে। সত্যিই, অনুপ্রেরণা বড় ভয়ঙ্কর জিনিস।লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
শ্রাবণ মাসের এমনই এক রবিবার।শুশুনিয়া থেকে জল নিয়ে এক্তেশ্বর। কত নিষিদ্ধ হাতছানি। আটের দশক, নয়ের দশকে এটা ছিল চেনা ছবি। ভিড়টা এখনও আছে। তবে, আবেগটা হয়ত হারিয়ে গেছে। এমনই এক শ্রাবণের জল ঢালার কথা উঠে এল স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে।
সেবার চৌরঙ্গি ও শালতোড়া–দুটি আসনেই জিতেছিলেন বিধানবাবু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হত। তিনি চৌরঙ্গি আসনটিই ধরে রেখেছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন জানুয়ারিতে। জুলাই মাসের প্রথম দিনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে, আর শালতোড়ায় আসা হয়নি। শোনা যায়, শালতোড়াকে ঘিরেও তাঁর কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। লিখেছেন সজল মুখার্জি।
কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
বাস মালিকরাও তেমনি। যখন সরকারি বৈঠক, তখন নিজেদের দাবির কথা জোরের সঙ্গে বলতে পারছেন না। তখন সব ঘাড় নেড়ে শুনে নিচ্ছেন। পরে বলছেন, এই ভাড়ায় চালানো যাবে না। সেটা সরকারি বৈঠকে জোরের সঙ্গে বলতে পারেন না কেন? ফলে, প্রতিটি মিটিং থেকে কার্যত অশ্বডিম্ব প্রসব হয়।
সে সময় ভিডিও গেমও ছিল না। ফেসবুকও ছিল না। ছেলেবেলার সেরা বিনোদন ছিল ওই সাইকেল। সেই সাইকেলকে ঘিরেই কত অ্যাডভেঞ্চার। কত লুকিয়ে থাকা স্মৃতি। বিশ্ব সাইকেল দিবসে নস্টালজিক লেখা সজল পাত্রর।
খুব দুর্গম নয়, খরচও তেমন নেই। পুরুলিয়া থেকে অনায়াসে বাসে পৌঁছে যেতে পারেন অযোধ্যা পাহাড়ে। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল, এখন তাও নেই। শীতের রোদ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন। হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা? তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
শুভেন্দুর মনে হয়েছিল, নেতাজির ছবির পাশে তাঁর ছবি বেমানান। হয়ত অসভ্যতাও। তাই তিনি খুলে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারও কারও মনে হয়, তিনি নেতাজির থেকে কম কীসের? তিনি হয়ত নেতাজির থেকেও জনপ্রিয়। তাই তাঁর ছবি নেতাজির থেকেও বড় হয়ে যায়।শুভেন্দু শুধু উদ্যোক্তাদের বার্তা দেননি। সেই বার্তা হয়ত আরও কাউকে কাউকে দিতে চাইলেন।