একছুটে বাঁকিপুটে

একেবারেই নির্জন সৈকত। বর্ষায় হাতছানি দিচ্ছে। সৈকত ধরে ভিজতে ভিজতে এগিয়ে চলুন সমুদ্রের দিকে। বাঁকিপুটের সন্ধান দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

সারাটা দিন, মেঘলা আকাশ, বৃষ্টি তোমাকে দিলাম

বৃষ্টির বিরাম নেই। মাধ্যমিকের পর আবার যেন শিরোনামে বাঁকুড়া। কত কিউসেক জল ছাড়ছে মুকুট মণিপুর?‌ এই ভরা জলাশয়ের সান্নিধ্য চাইলে এই সময় ঘুরে আসুন মুকুট মণিপুর থেকে। আর শ্রীকান্তর মতো গেয়ে উঠুন, আমার সারাটা দিন, মেঘলা আকাশ, বৃষ্টি, তোমাকে দিলাম।

বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েই আছেন শম্পা

জোর জল্পনা, বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বাঁকুড়ার বিধায়ক শম্পা দরিপা। লোকসভায় তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে, এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। পুরসভার চেয়ারম্যান করার আশ্বাসও নাকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দলনেত্রী কথা না রাখায় অভিমানী শম্পা যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে।

বেড়ালের গলায় প্রথম ঘণ্টা বাঁধলেন শুভেন্দু

কোনও একজন পেরোলে চার ঘণ্টা আগে থেকে দড়ি ধরে দাঁড়িয়ে থাকত পুলিশ। অনেক আগে থেকে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যেত। প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর জন্যও বোধ হয় এমন ব্যবস্থা থাকে না। এবার সরাসরি সেখানেই ঢিল ছুঁড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার কাজটা তাহলে শুরু হল!‌

জঙ্গল মহলের ফাঁপা বেলুনও চুপসে গেল

পাহাড় নিয়ে যেমন প্রচার ছিল, জঙ্গল মহল নিয়েও একই ঢক্কা নিনাদ ছিল। সব যেন মুখ থুবড়ে পড়ল। পঞ্চায়েতে এই জঙ্গল মহলের বিস্তীর্ণ এলাকায় শাসকের নগ্ন রূপ দেখেছে মানুষ। ভোটে তারই মোক্ষম শিক্ষা দিল জঙ্গল মহলও। লিখেছেন সৌরভ সরকার।

ওই সাড়ে তিনশো বুথের আলাদ হিসেব হোক

উত্তম জানা ডায়মন্ড হারবার নিয়ে সবাই কেমন নিশ্চুপ। টিভিতে ভোট নিয়ে দিনভর আলোচনা। অথচ, ডায়মন্ড হারবারের প্রত্যন্ত এলাকায় কীভাবে ভোট হচ্ছে, সেই ছবিটা একেবারি উঠে এল না। অথচ, বিরোধীদের অভিযোগ,...

কেন তাঁকে নিয়েই জল্পনা, শুভেন্দু ভেবে দেখুন

ফের মৌচাকে ঢিল ছুঁড়েছেন বিপ্লব দেব। শুভেন্দু নাকি বিজেপিতে আসতে পারেন। শুভেন্দু আপাতত এই জল্পনাকে উড়িয়ে দিতেই পারেন। মামলাও করতে পারেন। কিন্তু দু বছর পর তাঁর ঠিকানা কী হবে?‌ তিনি বিজেপিতে যেতে পারেন, একথা বিজেপি নেতাকর্মীরাও বিশ্বাস করেন, আবার তৃণমূল নেতাকর্মীরাও বিশ্বাস করেন। বিপ্লব দেব শুধু সেই জল্পনাকে আরও একটু উস্কে দিলেন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

ভোটকর্মীর ডায়েরি

কোন এলাকায় ভোটের ছবিটা কেমন?‌ সবথেকে কাছ থেকে দেখলেন ভোটকর্মীরা। তাঁদের অভিজ্ঞতা কেমন?‌ কোথায় শান্তি, কোথায় চাপা সন্ত্রাস, কোথায় খুনসুটি। এমন নানা ঘটনা নিয়ে নতুন ফিচার— ভোটকর্মীদের ডায়েরি। চলবে মে মাস জুড়ে।

‌এই প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখা যায়!‌

জেলা প্রশাসন আশ্বস্ত করছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলেও নিরাপত্তা থাকবে। আচ্ছা বলুন তো, এই চাটুকার জেলাশাসক বা এসপিদের ভরসা করার কোনও কারণ আছে?‌ একজনও ডিএম বা এসপি আছেন যাঁর ওপর ভরসা রাখা যায়!‌ তাঁদের সবিনয়ে একটা কথাই বলতে চাই, আগে ভরসার যোগ্য হয়ে উঠুন, তারপর ভরসা দেবেন। লিখেছেন হেমন্ত রায়।

বহরমপুরে প্রার্থী দেওয়া খুব জরুরি ছিল?

প্রার্থী দিয়ে হয়ত পিছিয়ে আসতে হবে। তাহলে, জরুরি বৈঠক ডেকে প্রার্থীঘোষণা কেন?‌ সব আসনে জোট হয়নি বলে কংগ্রেসের জেতা আসনে তৃণমূলকে জেতানোর উদ্যোগ নেওয়া?‌ এর মধ্যে আর যাই হোক, বিচক্ষণতা নেই। লিখেছেন উত্তম জানা।