ভিনদেশি এক নদী। চারপাশে পাহাড়ের সারি, আর সবুজ বনানী। চারিদিক থেকে ভেসে আসছে মেঘ, ঠিক যেন তুলোর মতো। নদীর সেই মুগ্ধতার মাঝে ঘুরে ফিরে আসছেন রবি ঠাকুর। এসে যায় ছোটবেলায় পড়া সেই কবিতা। মার্কিন মুলুক থেকে সেই মুগ্ধতার কথাই বেঙ্গল টাইমসের জন্য তুলে ধরলেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।।
এবারই প্রথম আমার ভোট দেওয়া হল না। কারণ, আমার এলাকায় ভোট হয়নি। কাউকে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। ভিনরাজ্যে বসে নিজের রাজ্যের জন্য এতখানি লজ্জা ও গ্লানি এর আগে কখনও হয়নি। আমার মতো কত লক্ষ লক্ষ মানুষের হয়ত এটাই অনুভূতি। এর ফল কী হতে পারে, সেটা হয়ত শাসকরা বুঝতেও পারছেন না। ওপেন ফোরামে লিখেছেন রাজেশ মণ্ডল।।
স্বরূপ গোস্বামী কত চিঠি লেখে লোকে কত সুখে প্রেমে আবেগে স্মৃতিতে, কত দুঃখে ও শোকে। সেই রানারও নেই। সেই চিঠির বোঝাও নেই। চিঠি নিয়ে এমন কত কবিতা, কত গান লেখা...
অণু গল্প বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত আমেরিকার শিকাগো শহরে বিশাল এক শপিং মল। বিভিন্ন জিনিসের হরেক রকমের সম্ভার। প্রচুর লোকজন আসে শপিং করবার জন্য। প্রধান ফটকের সামনে একজন বয়স্ক লোক দাঁড়িয়ে...
ভোপাল থেকে মাত্র সোয়া এক ঘণ্টা। সম্রাট অশোকের দেশ। ইতিহাস যেন চুপি চুপি অনেক কথা বলতে চাইছে। সাঁচি স্তূপ থেকে ফিরে এসে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন শোভন চন্দ।
পাহাড়ে বাংলা তৃতীয় ভাষা হবে কিনা, তা নিয়ে এত বিতর্ক। অথচ, কর্নাটকে দ্বিতীয় সরকারি ভাষা কিন্তু বাংলা। এবার সেখানে বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব। তাই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসে বিশেষ প্রতিবেদন।
গল্প পড়ার সময় নেই? তাহলে, অণু গল্প চেষ্টা করে দেখুন। অনেকটা টি টোয়েন্টির মতোই। বেঙ্গল টাইমসের সাহিত্য বিভাগে জমজমাট অণু গল্পের আসর। লিখে পাঠিয়েছেন জুয়েল মিয়াজি।
মধুজা মুখোপাধ্যায় আচ্ছা ধরুন আপনি হলেন আমার মতো একজন হোমসিক মানুষ। সেখানে নিজের দেশ থেকে বহুদূরে আমেরিকার এক ছোট্ট শহরে একজন আমেরিকান লেখকের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে যদি তার শোবার ঘরে কাঁচের দেওয়াল...
বৃষ্টি এলে মনে আসতেই পারে মেঘদূত, চেতনাকে নাড়া দিয়ে যায় মেঘমল্লার। সুদূর মার্কিন মুলুকে বসেও অনুভূতিটা পাল্টায় না। দুই দেশের বর্ষা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তেমনই ছবি ফুটে উঠেছে নিউইয়র্ক থেকে পাঠানো মধুজা মুখোপাধ্যায়ের মরমী কলমে।
সাহেবদের ক্রিসমাস, আমাদের পৌষমাস। কিন্তু মার্কিন মুলুকে শীতের ছবিটা ঠিক কেমন ? সেখানে গিয়ে কি পিঠে-পুলির কথা মনে পড়ে। দারুণ এক নস্টালজিয়া উঠে এল মধুজা মুখোপাধ্যায়ের কলমে।