সব ভাল, যার শেষ ভাল। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর এমনটা মনে হওয়াই স্বাভাবিক। ভারত যে এবার অন্যতম ফেবারিট দল, তা নিয়ে বিশ্বকাপের আগেও কারও সংশয় ছিল না। দেশ বিদেশের অনেক বিশেষজ্ঞই এগিয়ে রেখেছিলেন ভারতকে। ব্যাটং, বোলিং, ফিল্ডিং— সব ব্যাপারে ভারত অন্যান্য দলকে টেক্কা দিয়ে গেল।
কিন্তু তার থেকেও ভাল লাগছে গ্যালারিতে দুজনের বিশেষ উপস্থিতি দেখে। ১৯৮৩–র বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব। এবং ২০১১ বিশ্বজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি (তিনি আবার একইসঙ্গে ২০০৭ টি২০ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক)। যে কোনও কারণেই হোক, ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে আমেদাবাগে এই দুই বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে দেখা যায়নি। শোনা যায়, বোর্ডকর্তারা নাকি তাঁদের আমন্ত্রণই জানাননি। অন্তত কপিলদেবকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তা তো তিনি নিজেই প্রকাশ্যে বলেছেন। এবার বোর্ডের বোধোদয় হয়েছে দেখে ভাল লাগল।
আসলে, ক্রিকেটের এই গৌরব, এই জনপ্রিয়তা যে কপিলদেব, ধোনিদের জন্যই এসেছে, এই সহজ কথাটা জয় শাহ অ্যান্ড কোম্পানি ভুলে যায়। তাঁরা ভেবে নেন, তাঁদের জন্যই বোধ হয় ক্রিকেট এত জনপ্রিয়। জয় শাহ আইসিসি–র সভাপতি। অথচ, ম্যাচের পরদিন দেখা গেল, তিনি কোচ গৌতম গম্ভীর আর অধিনায়ক সূ্র্যকুমার যাদবকে সঙ্গে নিয়ে আমেদাবাদের কোনও একটি মন্দিরে পৌঁছে গেলেন। আচ্ছা, এটা আইসিসি চেয়ারম্যানের কাজ? চেয়ারে বসলেই হয় না, চেয়ারের ওজনটা বুঝতে হয়। সেইসঙ্গে নিজের ওজনটাও বুঝতে হয়। অমিত শাহর পুত্র এতসব বুঝবেন, এতখানি আশা না করাই ভাল।
