কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে
স্মৃতির ব্রিগেড, সহজ পাঠের ব্রিগেড
সারাক্ষণ কী দেখে, ওরা নিজেরাই জানে না
আসলে, ওরা কিছুই দেখছে না। আসলে, ওরা কিছুই শুনছে না। ওরা কোনওকিছুই গ্রহণ করছে না। সারাক্ষণ শুধু প্রত্যাখ্যান করে চলেছে। সবার আগ্রহ এক খাতে বইবে, এমন নয়। কেউ হয়ত সিনেমা ভালবাসে, কেউ হয়ত খেলা ভালবাসে, কেউ ভালবাসে সাহিত্য, কেউ ভালবাসে গল্প করতে। কিন্তু একটু ভালভাবে মিশে দেখুন, ওরা কী ভালবাসে, ওরা নিজেরাও জানে না।
জঙ্গলের মাঝে কুঁড়েঘরের হাতছানি
ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।
সিবিআইয়ে তীব্র অনাস্থা, তাই হিন্দুত্বের তাস
মনে রাখবেন, আমি কিন্তু সবজান্তা
আমরা সবজান্তা। আমরা আগে চায়ের দোকানে বসতাম। গুলতানি করতাম। কিন্তু এখন আর চায়ের দোকানে বসলে সেই স্টেটাস থাকে না। তাছাড়া, গরমে এতক্ষণ বসা মুশকিল। আমি এত সবজান্তা। আমার একটা প্রেস্টিজ আছে তো। আমার হাতে আছে স্মার্টফোন। আমার নামে–বেনামে খানকয়েক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। আমি সেখান থেকেই আমার বাণী প্রচার করব। আর মিনিটে মিনিটে লাইক গুনে যাব।
সরকার দাঙ্গার চাষ করে, তাই দাঙ্গা হয়
কেউ হিন্দুর জুজু দেখাচ্ছেন। কেউ মুসলিম জুজু দেখাচ্ছেন। এই জুজু দেখানোই ওঁদের হাতিয়ার। এঁরাই কেউ রাজ্যে, কেউ কেন্দ্রে সরকার চালাচ্ছেন। সরকারের কাজ কী, এই অর্বাচীনরা সত্যিই জানেন না। কোন মঞ্চে কোনটা বলতে হয়, কোন মঞ্চে কোনটা বলতে নেই, এই ন্যূনতম শিক্ষাটুকুই নেই। এঁরা চালাবেন প্রশাসন? নিজেদের সীমাহীন ব্যর্থতা ঢাকতে দাঙ্গাই এদের হাতিয়ার।
বইকে চৈত্র সেলের পণ্য বানাবেন না
আসল আসামী বারবার আড়ালেই থেকে যান
যিনি আড়ালের আসল মাথা, তাঁকে তো সবাই চেনেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করা যাচ্ছে না? তাহলে কীসের সিবিআই? কীসের ইডি? যাঁরা এতবছর ধরে তদন্ত করে অশ্বডিম্ব প্রসব করলেন, কেন তাঁদের শাস্তি হবে না? অন্তত এই অযোগ্য শিক্ষকদের চেয়ে এই অযোগ্য সিবিআই আধিকারিকরা অনেক বেশি অপরাধী।
