ভোটের দিকে যেন তাকিয়ে থাকতে না হয়

সুমন সিংহ মেট্রো রেলকে একসময় আমরা বলতাম পাতাল রেল। এখন মাটির ওপরেই ছুটতে দেখা যায়। ফলে, এখন আর পাতাল রেল বলতে তেমন শোনা যায় না। শিয়ালদার সঙ্গে সল্টলেক আগেই যুক্ত...

কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে

সরল বিশ্বাস আরও একটা ব্রিগেড সমাবেশ|  এবার অনেকটাই প্রান্তিক মানুষের ব্রিগেড| আবার সেই চেনা  প্রশ্ন, বামেরা কি ঘুরে দাঁড়াবে ? বামেরা কি শূন্য দশা কাটিয়ে উঠতে পারবে? বাং সমর্থকরা হতাশ...

স্মৃতির ব্রিগেড, সহজ পাঠের ব্রিগেড

ছেলেটাকে তাড়াতাড়ি গরম জামা প্যান্ট পরিয়ে দাও। আমার ধুতি পাঞ্জাবি টা কোথায়? তাড়াতাড়ি দাও। নাহলে ওদিকে আবার খড়গপুর লোক্যালটা ধরতে পারব না। সকাল সকাল হু হু করে উত্তুরে হাওয়া বইছে।...

সারাক্ষণ কী দেখে, ওরা নিজেরাই জানে না

আসলে, ওরা কিছুই দেখছে না। আসলে, ওরা কিছুই শুনছে না। ওরা কোনওকিছুই গ্রহণ করছে না। সারাক্ষণ শুধু প্রত্যাখ্যান করে চলেছে। সবার আগ্রহ এক খাতে বইবে, এমন নয়। কেউ হয়ত সিনেমা ভালবাসে, কেউ হয়ত খেলা ভালবাসে, কেউ ভালবাসে সাহিত্য, কেউ ভালবাসে গল্প করতে। কিন্তু একটু ভালভাবে মিশে দেখুন, ওরা কী ভালবাসে, ওরা নিজেরাও জানে না।

জঙ্গলের মাঝে কুঁড়েঘরের হাতছানি

ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।

সিবিআইয়ে তীব্র অনাস্থা, তাই হিন্দুত্বের তাস

ধীমান সাহা রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা খুব চিন্তায়। শুভেন্দু অধিকারী এত হিন্দু হিন্দু করছেন কেন?‌ কথায় কথায় হিন্দু–‌মুসলিম তাস খেলছেন কেন?‌ যেখানে যাই ঘটুক, তার পেছনে এমন উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন কেন?‌ বছর...

মনে রাখবেন, আমি কিন্তু সবজান্তা

আমরা সবজান্তা। আমরা আগে চায়ের দোকানে বসতাম। গুলতানি করতাম। কিন্তু এখন আর চায়ের দোকানে বসলে সেই স্টেটাস থাকে না। তাছাড়া, গরমে এতক্ষণ বসা মুশকিল। আমি এত সবজান্তা। আমার একটা প্রেস্টিজ আছে তো। আমার হাতে আছে স্মার্টফোন। আমার নামে–‌বেনামে খানকয়েক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। আমি সেখান থেকেই আমার বাণী প্রচার করব। আর মিনিটে মিনিটে লাইক গুনে যাব।

সরকার দাঙ্গার চাষ করে, তাই দাঙ্গা হয়

কেউ হিন্দুর জুজু দেখাচ্ছেন। কেউ মুসলিম জুজু দেখাচ্ছেন। এই জুজু দেখানোই ওঁদের হাতিয়ার। এঁরাই কেউ রাজ্যে, কেউ কেন্দ্রে সরকার চালাচ্ছেন। সরকারের কাজ কী, এই অর্বাচীনরা সত্যিই জানেন না। কোন মঞ্চে কোনটা বলতে হয়, কোন মঞ্চে কোনটা বলতে নেই, এই ন্যূনতম শিক্ষাটুকুই নেই। এঁরা চালাবেন প্রশাসন?‌ নিজেদের সীমাহীন ব্যর্থতা ঢাকতে দাঙ্গাই এদের হাতিয়ার।

বইকে চৈত্র সেলের পণ্য বানাবেন না

ভুয়ো বইপ্রেমীদের জন্যই বাড়ছে বইয়ের দাম বইমেলা এলেই একটা কথা হাওয়ায় ভেসে বেড়ায়। কোন স্টলে ডিসকাউন্ট কত?‌ কেউ কেউ বলেন, কলেজ স্ট্রিটে কুড়ি পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দেয়, বইমেলায় দশ কেন হবে?‌...

আসল আসামী বারবার আড়ালেই থেকে যান

যিনি আড়ালের আসল মাথা, তাঁকে তো সবাই চেনেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করা যাচ্ছে না?‌ তাহলে কীসের সিবিআই?‌ কীসের ইডি?‌ যাঁরা এতবছর ধরে তদন্ত করে অশ্বডিম্ব প্রসব করলেন, কেন তাঁদের শাস্তি হবে না?‌ অন্তত এই অযোগ্য শিক্ষকদের চেয়ে এই অযোগ্য সিবিআই আধিকারিকরা অনেক বেশি অপরাধী।