বিপর্যয় কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে উত্তরবঙ্গ। এবারের বিপদ হয়তো কাটানো গেল। কিন্তু আগামী বছর যেন আবার এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয়, এখন থেকেই সতর্ক থাকা দরকার। পরিবেশবিদদের পরামর্শ নেওয়া হোক। কঠোরভাবে সেই নির্দেশ পালন করা হোক। কোথায় ড্রেজিং দরকার, কোথায় বাঁধ দরকার, কোথায় ক্যানাল কেটে জল অন্য কোনও জলাশয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তার রূপরেখা তৈরি হোক। যত দ্রুত সম্ভব, সেই পরিকল্পনার রূপায়ণ হোক।
গুণগত মানের বিচারে এই ছবি অনেক এগিয়ে। বছর দশেক পরে, আবীরকে যদি তাঁর সেরা ছবির তালিকা বানাতে বলা হয়, তিনিও অন্তত রক্তবীজের থেকে এই ছবিকে অনেক এগিয়ে রাখবেন।
জীবনে চলার পথে হারিয়ে যাওয়া কোনও বন্ধুর সেই দুষ্টুমির কথা উঠে আসতেই পারে। কোনও মাস্টারমশাইয়ের ধমক বা স্নেহের শাসন, সরস্বতী পুজো বা দুর্গা পুজোর ছোট ছোট ঘটনা, যেগুলো মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়। লড়াইয়ের দিনগুলোয় কারা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত? জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে আসার পর যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ইচ্ছে করে, সেই দরজা খোলা থাক।
অবসরের পর জীবনটা সত্যিই বড় বদলে যায়। অনেকের চোখের ভাষায় সেটা বুঝতে পারি। আসলে, আমরা কখনই বর্তমান অবস্থানে খুশি নই। যখন চাকরি করি, তখন ছুটি চাই। আবার যখন অনন্ত ছুটি চাই, তখন সেটা বিরক্ত লাগে। এই কারণেই কবি লিখেছিলেন, ‘নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস’।
হয়তো অনেকে বলবেন, যদি লোকে নাই কিনবে, তাহলে ছাপা হচ্ছে কেন? নিশ্চয় বিক্রি হচ্ছে। হ্যাঁ, হচ্ছে। কিন্তু আপনার পরিচিত কজনের বাড়িতে আগে পুজো সংখ্যা নেওয়া হত আর এখন কজনের বাড়িতে নেওয়া হয়, একটু খোঁজ নিন। তাহলেই ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। পাঁচটা–ছটা পুজো সংখ্যা নিতে বলছি না। কিন্তু বছরে একটা পুজো সংখ্যা বাড়িতে নেওয়া যায় না!
সে এক সময় ছিল, যখন বিজয়া দশমী মানে অন্য এক আবেগ। দুপুরেই দেবীর বিসর্জন। একটা বিষাদের ছায়া। সেই বিষাদকে ছাপিয়ে সন্ধেয় দেখা যেত মহামিলন। আত্মীয়, প্রতিবেশী, বন্ধুদের বাড়ি যাওয়া। বড়দের...
প্রসূন গুপ্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের ক্রমশ হাসির খোরাক করে তুলছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এখন টাকার দাপট আছে, বিশ্ব ক্রিকেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ আছে। তাই নানা রকম বায়না ধরেও দিব্যি পার পেয়ে...
হাজির হয়ে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি একবার খোঁজও নিলেন না, গত চার বছর এই পুজো কেন হয়নি? যাঁরা দু’বছর পুজো করে চার বছর বন্ধ রাখেন, তাঁদের পুজোয় কিনা উদ্বোধন করতে হল! সত্যিই, কী দুর্দিন! উদ্যোক্তাদেরও বলিহারি। চার বছর পুজো বন্ধ রেখে এবার হঠাৎ করে ইচ্ছে হল পুজো করবেন। এমন খামখেয়ালির পুজোয় কিনা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ডেকে আনলেন? একটুও লজ্জা হল না?
স্বরূপ গোস্বামী এক দশকের বেশি সময় ধরে সিবিআই সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত চালাচ্ছে। শুরুর দিকে নাম কে ওয়াস্তে কয়েকজন চুনোপুঁটিকে ধরপাকড়। তারপরই বহু বছর ধরে তারা শীতঘুমে। কেন? ওই যে বুদ্ধিজীবীরা...