রাশি–গণের থেকে পাত্রের রাজনৈতিক বিশ্বাস জানাটা জরুরি
রাশি–গণ–গোত্র মেলানোর চেয়ে রাজনৈতিক বিশ্বাসের দিকটা মেলাও খুব জরুরি। রুচির মিলটাও জরুরি। টুকরো টুকরো অমিল থাকতে পারে। কিন্তু মানিয়ে নেওয়ার সহিষ্ণুতাটুকুও থাকুক। দীপ্তানুজ জানতেন, অনেকে কটাক্ষ করবেন। তবু তিনি এগিয়ে এসেছেন। তাঁকে কটাক্ষ নয়। আসুন, তাঁর এই বিজ্ঞাপন নিয়ে আমরাও নতুন করে ভাবি। আসুন, একটা সুস্থ বিতর্কের পরিসর তৈরি করি।
ওড়িশাতেও একটা কাশ্মীর আছে!
শোনা যায়, শীতে নাকি এখানে বরফ পড়ে। আমার অবশ্য শীতে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। তবে যখনই যান, শীতবস্ত্র নিয়ে যাবেন। শোনা যায়, রেন ফরেস্ট, জন্তু জানোয়ার থাকতে পারে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল। এখনও পুরোপুরি সেই আতঙ্ক গেছে, এমনটা নয়। তবে ভরসা করে যেতেই পারেন।
আজি হেমন্ত জাগ্রত দ্বারে
আলো না ফুটলেও সেই আবছা অন্ধকারে আলোর একটা মৃদু আভাস দেখা যায়। চারপাশটা কী সুন্দর শান্ত, স্নিগ্ধ, শীতল, পবিত্র। কোথাও কোনও আওয়াজ নেই। কোনও কোলাহল নেই। থাকে শুধু এক অপরূপ মুগ্ধতা। ভোরের সেই সুগন্ধ, সেই মুগ্ধতার স্পর্শ যে না পেয়েছে তাকে বোঝানো যাবে না এই ভোরের মাহাত্ম্য। তাই যেদিন ভোরে উঠতে পারি না, সেদিন মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় জীবন থেকে একটা অপরূপ ভোর হারিয়ে গেল।
যত দোষ, দিলীপ ঘোষ
আসলে, নীচের তলার কর্মীরাও দিল্লির এই চালাকিটা ধরে ফেলেছিলেন। তৃণমূল থেকে সাময়িক রাগে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরাও বুঝেছিলেন, দিল্লি কখনই চায় না এই রাজ্যের সরকারকে সরাতে। বুঝতে পেরে তাঁরাও কেটে পড়েছেন। বামেদের যে অংশটা আমাদের দিকে এসেছিল, তাঁরাও বুঝতে পেরেছেন, এই বিজেপি আর যাই হোক তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করার মঞ্চ নয়। কেন তদন্ত থেমে যায়, কেন সিবিআই ঘুমিয়ে থাকে, এটা এখন জলের মতো পরিষ্কার।
ধনতেরাস কোনওকালেই বাঙালির উৎসব ছিল না
টিভিতে সিরিয়ান মানেই যেন অলঙ্কারের বিজ্ঞাপন। রান্নাঘরে রান্না করছে, গা ভর্তি গয়না। ড্রয়িংরুমে কুটকচালি করছে। সেখানে গয়না। পাঁচ মহিলা দাঁড়িয়ে ঝগড়া করছে, পাঁচজনের গায়েই দামী শাড়ি, পাঁচজনের পরণেই যেন বিয়েবাড়ির সাজ। সে ভোরের দৃশ্য হোক বা রাতের। সিনেমাতেও কায়দা করে পিসি চন্দ্র, অঞ্জলি জুয়েলার্স, বলরাম বসাক— এসব ঢুকে পড়ছে। কখনও দোকানের ছবিতে, কখনও নায়ক–নায়িকার সংলাপে। এভাবে বাঙালির অন্দরমহল না জেনে, না বুঝে গিলছে অলঙ্কারকে।
অপমান করে সরাতেই বাড়তি আনন্দ পায় এই বোর্ড
টাকার দম্ভে এই বোর্ডের মাটিতে পা পড়ে না। তাঁদের হুকুমেই ক্রিকেট বিশ্ব চলবে, এমনটাই তাঁরা ভেবে নিয়েছেন। ক্রিকেটাররা সাফল্যে এনে দিচ্ছেন বলেই এই দম্ভ। অথচ, সেই ক্রিকেটারদেরই এঁরা অপমান করছেন। এই কর্তাদের নাম মুছে যাবে, কিন্তু বিরাট–রোহিতদের নাম ইতিহাসে থেকে যাবে।
অভিভাবকদের প্রতি সদয় হোন
বন্যেরা বনে সুন্দর, ফ্যানেরা ফেসবুকে
সিনেমা করতে গেলে থ্রিলার কি বানাতেই হবে!
হামিতে স্কুলের ম্যাডামের উদ্দেশে ছোট্ট ভুটু ভাইজানের একটা প্রশ্ন ছিল, ‘বিয়ে করলে স্প্যাগেটি কি বানাতেই হবে?’ শিবপ্রসাদ– নন্দিতা জুটিকেও বলতে ইচ্ছে করছে, ‘সিনেমা তৈরি করতে গেলে, থ্রিলার কি বানাতেই হবে?’
