‌কারখানায় বাতি জ্বললে কে আমার পুজো করবে!‌

ঘুড়িতে ছেয়ে যেত আকাশ। মাইকে বেজে ওঠে পছন্দের গান। আস্তে আস্তে সবই অতীত হয়ে যাবে। শিল্প না থাকলে, কারখানা না থাকলে, বিশ্বকর্মারও যে গুরুত্ব থাকে না। পরমপিতা ব্রহ্মার কাছে এমনই আশঙ্কা জানালেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।

‌কেষ্টবাবুর প্রতিভা কেউ বুঝলই না

আপনাকে ভাল না বেসে পারা যায় না। তাতে আমাকে যে যা গালাগাল দেয়, দিক। আপনার এই সাহসিকতা দীর্ঘজীবী হোক। যাঁরা রাজ্য চালান, যাঁরা দেশ চালান, আপনার কাছে সবাইকেই বড় কাপুরুষ মনে হয়। এভাবেই সবাইকে নগ্ন করুন। এভাবেই সবাইকে ধর্ষণ করুন। ধর্ষিত হওয়াই এঁদের ভবিতব্য।‌

মাথার ওপর স্নিগ্ধ আকাশ, পায়ের তলায় তিস্তা

মুঙ্গেরজং তাহলে কী দিল?‌ এক প্রগাঢ় শান্তি। যেখানে সিবিআই নেই, ইডি নেই। কাকু নেই, ভাইপো নেই। বিরাট নেই, অনুষ্কাও নেই। অফিস যাওয়ার তাড়া নেই। টিভির ব্রেকিং নিউজ নেই। যেখানে টিভি চ্যানেলের ব্রেকিং নিউজ নেই। আতঙ্কের সংক্রমণ নেই। যেখানে আপন মনে ময়ূর ডেকে চলেছে। যেখানে পায়ে পায়ে জঙ্গল পেরিয়ে অনেকটা পথ হেঁটে যাওয়া যায়। যেখানে পায়ের তলা দিয়ে বয়ে চলেছে তিস্তা। মাথার ওপর রয়ে গেছে স্নিগ্ধ আকাশ। ‌‌

‌বিভূতিভূষণের গল্পে অন্য এক ভারতবর্ষ

চেনা মানুষের এত বিচিত্র জীবন, কল্পনার আশ্রয় নিতে হয়নি। সত্য কখনও কখনও কল্পনার থেকেও বিচিত্র হয়ে থাকে। তার লেখায় সেই বিস্ময় খুঁজে পাই। সারা জীবনের অর্জিত অভিজ্ঞতা ধরা দিয়েছে নানা চরিত্রের ভিড়ে। তাই গল্পের মধ্যেই ধরা দেয় অন্য এক ভারতবর্ষ। যে ভারতবর্ষকে আমরা হয়তো সেভাবে চিনিনি। ‌

বসার ঘরে পুজো সংখ্যা কই!‌

‌একটা সময় ছিল, যখন বাঙালির ঘরে ঘরে দেখা যেত পুজো সংখ্যা। বাঙালি যেমন পুজোয় নতুন জামাকাপড় কিনত, তেমনই কিনত পুজো সংখ্যা। এবার পুজো অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। বেশ কয়েকটি পুজো সংখ্যা...

রোজ সাদা পাতার সামনে বোসো

অনুজ কবি, সাহিত্যিকদের বলতেন, রোজ একটা সময় বেছে নাও। কিছুক্ষণের জন্য হলেও সাদা পাতার সামনে বোসো। হয়ত কোনও লেখাই এল না। বা যেটা লিখলে, সেটা একেবারেই পছন্দ হল না। হয়ত নিজে লিখে নিজেই ছিঁড়ে ফেলে দিলে। তবু, দিনের একটা সময় অন্তত সাদা পাতার সামনে বোসো। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করো। মনে রাখবে, লেখাও একটা সাধনা। লিখতে বসলেই মাথায় ভাবনা ঠিক এসে যাবে। কলম বেয়ে ঠিক নেমে আসবে।

‌এই সবুজের উপত্যকা আমার দেশ

অন্তরা চৌধুরি ভুবন বাদ্যকরের কাঁচাবাদাম গান সমতলকে ছাড়িয়ে যে পাহাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে গেছে, এতটা আশা করিনি। ভুলটা ভাঙল কচিকাঁচাদের কণ্ঠে নেপালি ভার্সেনে সেই গান শুনে। ছয় হাজার ছ’শো ফুট...

রাজ কাপুরের প্রস্তাব না ফেরালেই পারতেন

কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা দিক উঠে এল এই প্রতিবেদনে।

‌শ্রেষ্ঠত্বের মাঝেও ওই তিনটি প্রশ্ন থেকেই গেল

উত্তম কুমারের মৃত্যুদিন বহুচর্চিত। কিন্তু জন্মদিন কেন সাদা কালো?‌ উত্তমের নায়িকা বলতে সুচিত্রা বা সুপ্রিয়ার নাম ভেসে ওঠে। সাবিত্রীর মুখ কেন ভেসে ওঠে না?‌ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যদি পূব আকাশের উত্তমের গায়ক হন, যদি মাঝ আকাশে শ্যামল মিত্র–‌মান্না দে থাকেন, তাহলে শেষযাত্রার উত্তম কেন কিশোর কুমারে ভরপুর হবে না?‌ তিন প্রশ্ন উস্কে দিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

ফিরে এসো, চিঠি

চিঠির জন্য আলাদা একটা দিন আছে। পয়লা সেপ্টেম্বর। যেহেতু চিঠি লেখা হারিয়ে গেছে, তাই দিনটা নিয়েও তেমন হইচই নেই। চিঠি দিবসে চিঠির সেকাল–‌একাল নিয়েই আস্ত একটা লেখা। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।