হিটলারকে ‘‌না’‌ বলতে হিম্মৎ লাগে

আন্তর্জাতিক আসরে ভারতের সবথেকে বেশি সাফল্য কোন খেলায়?‌ মানে, অলিম্পিকে সবথেকে বেশি সফল কোন খেলায়?‌ অবশ্যই হকি। আর সেই হকির কিংবদন্তি ধ্যানচাঁদের জন্মদিনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে ক্রীড়া দিবস হিসেবে। এর চেয়ে ভাল দিন আর কীইই বা হতে পারত!‌

আরেকটা পুজারা চাইলেই পাওয়া যাবে!‌

মুকুল নন্দী ‌একশোর বেশি টেস্ট খেললেও তিনি সে অর্থে তারকা নন। তাঁকে বাদ দিলে কোনও হইচই হয় না। তিনি কথা বললে শিরোনাম হয় না। তাঁকে বিজ্ঞাপনেও দেখা যায় না। তিনি...

সবাইকে ইনস্টাগ্রামে অবসর নিতে হচ্ছে কেন?‌

তিন মাসে বিদায় নিলেন তিন স্তম্ভ। শুরু হয়েছিল রোহিত শর্মাকে দিয়ে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই বিরাট কোহলি। এবার সাম্প্রতিকতম সংযোজন চেতেশ্বর পুজারা। তিনজনেরই বয়স হয়েছিল। অবসর নেওয়ার সময়ও হয়ে...

দিতে এলেন মেট্রো, দিয়ে গেলেন ভাঁড়ামি

এটা কোনও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ?‌ এই চেয়ারের মর্যাদাকে কতখানি নীচে নামাচ্ছেন, তিনি নিজেও জানেন না। কখনও ধর্মের নামে উস্কানি, কখনও নিম্নস্তরে ভাঁড়ামি, এগুলোই তাঁর অস্ত্র।

অবোধের গোবধেই আনন্দ, তেমনই অরূপের ক্রীড়ামন্ত্রী পরিচয়েই আনন্দ

তাহলেই ভেবে দেখুন, একজন পূর্তমন্ত্রী বা বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে লোকে চিনছে ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে। এমন নয় যে তিনি দারুণ ক্রীড়াপ্রেমী। আসলে, ওই দপ্তরগুলোয় তাঁর কার্যত কোনও ভূমিকাই নেই। তাঁর যেটুকু ভেসে থাকা, এই ক্রীড়া দপ্তরের সুবাদেই।

পুজো আসছে, কিন্তু সেই উন্মাদনা কই!‌

পুজো মানেই বাঙালির কাছে এক নস্টালজিয়া। এই নিয়ে সনৎ সিংহের চমৎকার একটি গান ছিল। ‘‌এক এক্কে এক/‌নামতা পড়ে ছেলেরা সব পাঠশালারই ঘরে/‌নন্দী বাড়ির আটচালাতে কুমোর ঠাকুর গড়ে।’‌ ছোটবেলা থেকে গানটি...

বাংলা ছবি চালানোর জন্য আইন করতে হল!‌

শহরের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে রমরমিয়ে চলছে ‘‌ধূমকেতু’‌। এখনও কোথাও কোথাও ঝুলছে ‘‌হাউসফুল’‌ বোর্ড। ছবিটি মুক্তি পেল প্রায় দশ বছর পর। নানা আইনি জটিলতায় ছবিটির মুক্তি থমকেছিল। এত বছর আগের একটা ছবি,...

আর কোনও জাতি এতখানি ভ্রমণপ্রিয়!‌

ভূতের রাজা তিনটি বর দিতে চেয়েছিল। গুপী–‌বাঘা কী চেয়েছিল?‌ ১)‌ যেথা খুশি যাইতে পারি, ২)‌ যা খুশি খাইতে পারি, ৩)‌ মনের সুখে গাইতে পারি। অর্থাৎ, তারা একটু ঘুরতে চেয়েছে, ভাল–‌মন্দ...

নেতাজি বলেই পার পেয়ে যাবেন?‌

স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না?‌ তাঁকেও দু–‌চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

পাগলামির নোবেল থাকলে ট্রাম্পই পেতেন

যেভাবেই হোক, তাঁকে শিরোনামে থাকতে হবে। তার জন্য নিত্য নতুন ইস্যু তৈরি করতে হবে। দরকার হলে গায়ে গা পেড়ে ঝগড়া করতে হবে। যত দিন যাচ্ছে, নিজেকে যেন হাস্যকর করে তুলছেন...