সেবার চৌরঙ্গি ও শালতোড়া–দুটি আসনেই জিতেছিলেন বিধানবাবু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হত। তিনি চৌরঙ্গি আসনটিই ধরে রেখেছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন জানুয়ারিতে। জুলাই মাসের প্রথম দিনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে, আর শালতোড়ায় আসা হয়নি। শোনা যায়, শালতোড়াকে ঘিরেও তাঁর কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। লিখেছেন সজল মুখার্জি।
ধীমান সাহা একটা বছরে কতকিছুই না বদলে যায়। ঠিক এক বছর আগে। এমনই এক রাতে বার্বাডোজে উড়েছিল জয়ের নিশান। টি২০ বিশ্বকাপে ভারত প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সেই ২০০৭ সালে। মাঝের সতেরো...
বাংলায় সুরের হাতেখড়ি অভিযাত্রীতে হলেও প্রথম বড় মাপের সাফল্য এল শাপমোচন ছবিতে (১৯৫৫)। তখন তিনি মুম্বইয়েই (তখন বম্বে) বেশি থাকতেন। সেখানে তখন ব্যস্ততা চরমে। ছবিটাতে সুর করার জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছিলেন না। খুব অল্প সময়ে তিনি ‘শোনো বন্ধু শোনো’, ‘সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা’, ‘বসে আছি পথ চেয়ে’, ‘ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস’ গানগুলোর সুর করেছিলেন।
সোহম সেন ছেলেটির বয়স সবে দু’বছর। নাম লিহলে। ক্রিকেট কী জিনিস, বোঝার কথা নয়। লর্ডস কী, সেটাও বোঝার কথা নয়। ‘চোকার্স’ শব্দটা তো জানার কথাই নয়। কিন্তু সেই ছেলেটিই জড়িয়ে...
শোনা যায়, কিশোর কুমারকে কলকাতায় প্রথমবার মঞ্চে আনার নেপথ্যে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বড় অবদান ছিল। কিশোর এত এত দর্শকের সামনে গান গাইতে রাজি হচ্ছিলেন না। হেমন্তই তাঁকে ভরসা দেন, ‘তুমি চলো। কোনও চিন্তা নেই। আমি তোমার পেছনেই থাকব। কোথাও কোনও সমস্যা হলে আমি সামলে দেব।’ সামলাতে অবশ্য হয়নি। রবীন্দ্র সরোবরে টানা দেড় ঘণ্টা মাতিয়ে রেখেছিলেন কিশোর কুমার। মঞ্চে গাওয়ার এমন এক আত্মবিশ্বাস পেয়ে গেলেন, যা দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে গেছেন সারা জীবন।
এভাবেই কত কালজয়ী গান তৈরি হয়েছে। কত ইতিহাস লুকিয়ে আছে সেইসব গানের পেছনে! এত বছর পরেও পুজো প্যান্ডেল থেকে বিয়েবাড়ি, রিয়েলিটি শো থেকে সিরিয়াল, মাঝে মাঝেই বেজে ওঠে সেইসব গান। ভাবতে গর্ব হয়, এইসব কালজয়ী গান আমার বাবা লিখেছেন! স্মৃতিচারণে গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য পুত্র পিয়াল বন্দ্যোপাধ্যায়।
দীর্ঘদিন বম্বেতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। খুব কাছ থেকে দেখেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মতো কিংবদন্তিকে। তাঁর সুরে বেশি কিছু গানও গেয়েছেন হেমন্ত। সুরকার অমিত দাশগুপ্তর স্মৃতিচারণে উঠে এল অনেক অজানা দিক। চিনতে পারবেন অন্য এক হেমন্তকে।
রক্তিম মিত্র মন কী বাত বলে কথা। মাঝে মাঝে মনের কথা বেরিয়েই আসে। যতই সাজানো স্ক্রিপ্ট থাকুক, সত্যি কথা কোন ফাঁকতালে যে বেরিয়ে আসে, বলা মুশকিল। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাকিস্তান শুধু...
দূরে কোথাও নয়। ভিনরাজ্যেও নয়। এই বাংলাতেই। নিশ্চয় দার্জিলিং! না, ঠিক তাও নয়। তবে খুব কাছাকাছি। আর ভনিতা না করে নামটা বলেই দেওয়া যাক- তিনচুলে। নামটা চেনা চেনা লাগছে ? যাঁরা বেড়ানোর ব্যাপারে খুব খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা হয়ত নাম শুনেছেন। যাঁরা শোনেনননি, তাঁদের হীনমন্যতায় ভোগার কিছু নেই। কারণ, বাংলার পর্যটন মানচিত্রে তিনচুলে তেমন বিখ্যাত নাম নয়।
তাই, আপনাকে ভাল না বেসে পারা যায় না। তাতে আমাকে যে যা গালাগাল দেয়, দিক। আপনার এই সাহসিকতা দীর্ঘজীবী হোক। যাঁরা রাজ্য চালান, যাঁরা দেশ চালান, আপনার কাছে সবাইকেই বড় কাপুরুষ মনে হয়। এভাবেই সবাইকে নগ্ন করুন। এভাবেই সবাইকে ধর্ষণ করুন। ধর্ষিত হওয়াই এঁদের ভবিতব্য।