সোনার কেল্লা! সত্যিই যেন পূর্বজন্মের কাহিনি

সোনার কেল্লার মুকুল নাকি জাতিস্মর ছিল। আগের জন্মের কথা তার মনে পড়ে যেত। আমার পূর্বজন্ম আমি জানি না। কিন্তু বারবার সোনার কেল্লার কথা মনে পড়ে যায়। এত বছর আগের কথা। আমার বয়স তখন মাত্র ছয়। ভুলে যাওয়ারই কথা। হয়ত ভুলেও যেতাম। কিন্তু নানা জায়গায় এতবার আমাকে ‘সোনার কেল্লা’র গল্প বলতে হয়েছে, মনে হয়, এই তো কালকের ঘটনা। যতদিন বাঁচব, আরও কতবার যে বলতে হবে! বিশ্বাস করুন, একটুও বিরক্তি আসে না। মনে মনে আমিও যে ফিরে যাই ওই সোনার কেল্লায়।

যেজন ছিলেন নির্জনে

কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।

সত্যজিৎ রায়কে খোলা চিঠি

আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

ভূতের রাজার ফোন হ্যাং

এভাবেই কেটে গেছে বেশ কয়েকদিন। এক রাতে হঠাৎ হাজির ভূতের রাজা। সে হাজির আরসালানের বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে। বলল, তুমি গুপী–‌বাঘার থেকে ঢের ভাল। ওরা শুধু নিজেরা পেট পুরে খেয়েছে, আর ঘুরে বেড়িয়েছে। সুন্দরী রাজকন্যেদের বিয়ে করেছে। কিন্তু মাত্র কদিনে তুমি সমাজটাকেই বদলে দিয়েছ। সব অফিসে কর্ম সংস্কৃতি ফিরে এসেছে। শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছে, মন দিয়ে পড়াচ্ছে, ডিএ নিয়ে ফেসবুকে হতাশা দেখাচ্ছে না। সরকারি অফিসে কাজ হচ্ছে। ছেলেরাও মন দিয়ে পড়ছে। তাই তোমার জন্য এই বিরিয়ানির প্যাকেট এনেছি।
মাঝরাতেই সেই বিরিয়ানি শেষ করে ফেলল কুট্টুস।

উনি না সুযোগ দিলে কে চিনত?‌

জীবনে কত গান গেয়েছেন ? নিজেও মনে করতে পারবেন না। কিন্তু অনুপ ঘোষাল বলতেই বাঙালির কোন গান মনে পড়ে ? প্রায় ৪৫ বছর আগে গাওয়া গুপির গলার গান। সেই গানের...

জটায়ু আসলে কে? হাইলি সাসপিসিয়াস

জটায়ু আসলে কে? অনেকে টেনে আনবেন রামায়ণের কথা। অনেকে বলবেন, সত্যজিৎ রায়ের তৈরি চরিত্র। ফেলু, তোপসের নামও চলে আসবে। কেউ বলবেন সন্তোষ দত্ত। আসলে, তিনি অন্য একজন। কে ? ফাঁস করলেন স্বয়ং জটায়ু। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

সেই কফিহাউসেই শুটিং করেছিলেন মান্না দে!‌

মান্না দে-কে নিয়ে সিনেমা। তাতে অভিনয় করছেন স্বয়ং মান্না দে ! কফিহাউসে বসে গাইলেন অমরত্ব পাওয়া সেই গান। শুটিংয়ের টুকরো টুকরো নানা মুহূর্ত তুলে ধরলেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়। জন্মদিনে কিংবদন্তি...

মান্না দের সেই গান, একা একাই কাঁদতাম

স্মৃতিটুকু থাক আমাদের বাড়িতে আমার সবথেকে ভাল বন্ধু ছিল আমার জেঠু। বাবাকে অনেককিছু বলতে পারতাম না। আবদার জুড়তাম জেঠুর কাছে। জেঠুও জানত, আমি কী চাই। তাই না চাইতেই অনেক কিছু...

কফিহাউসের হারিয়ে যাওয়া সেই গান

কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে!

বললাম, তোপসে কি বড় হবে না? ওকে একা ছেড়ে দিন না। সে–ও কিছু সমাধান করুক। এতটুকুও বিরক্ত হলেন না। উনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে। তোপসে ছাড়া সে–ও যে অসম্পূর্ণ।’