বেঙ্গল টাইমস।। সত্যজিৎ স্পেশাল
সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ। নানা আঙ্গিক থেকে কিংবদন্তি পরিচালককে ফিরে দেখা। থাকছে নানা আকর্ষণীয় লেখায় সমৃদ্ধ বিশেষ ই–ম্যাগাজিন। দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক।
সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ। নানা আঙ্গিক থেকে কিংবদন্তি পরিচালককে ফিরে দেখা। থাকছে নানা আকর্ষণীয় লেখায় সমৃদ্ধ বিশেষ ই–ম্যাগাজিন। দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক।
কিংবদন্তি পরিচালককে কীভাবেই বা স্মরণ করতে পারি! বেশি কিছু করার দরকার নেই। তাঁর ছবি তো আর খুব দুষ্প্রাপ্য নয়। অন্তত ইউটিউব থেকে একটা ছবি দেখা যায়। হয়তো আগে দেখা, তবু না হয় আবার দেখলেন। তাঁর অনেক ছোট গল্প, উপন্যাস অডিও বুক হয়ে ঘুরে বেড়ায়। বই পড়ায় যদি সত্যিই অ্যালার্জি থেকে থাকে, না হয় একটা বা দুটো অডিও বুক শুনলেন। ফোনের দিকে তাকিয়ে কত সময়ই তো নষ্ট হয়। না হয় একদিন সেটা সত্যজিৎ চর্চায় লাগালেন।
সোনার কেল্লার মুকুল নাকি জাতিস্মর ছিল। আগের জন্মের কথা তার মনে পড়ে যেত। আমার পূর্বজন্ম আমি জানি না। কিন্তু বারবার সোনার কেল্লার কথা মনে পড়ে যায়। এত বছর আগের কথা। আমার বয়স তখন মাত্র ছয়। ভুলে যাওয়ারই কথা। হয়ত ভুলেও যেতাম। কিন্তু নানা জায়গায় এতবার আমাকে ‘সোনার কেল্লা’র গল্প বলতে হয়েছে, মনে হয়, এই তো কালকের ঘটনা। যতদিন বাঁচব, আরও কতবার যে বলতে হবে! বিশ্বাস করুন, একটুও বিরক্তি আসে না। মনে মনে আমিও যে ফিরে যাই ওই সোনার কেল্লায়।
কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।
আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
এভাবেই কেটে গেছে বেশ কয়েকদিন। এক রাতে হঠাৎ হাজির ভূতের রাজা। সে হাজির আরসালানের বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে। বলল, তুমি গুপী–বাঘার থেকে ঢের ভাল। ওরা শুধু নিজেরা পেট পুরে খেয়েছে, আর ঘুরে বেড়িয়েছে। সুন্দরী রাজকন্যেদের বিয়ে করেছে। কিন্তু মাত্র কদিনে তুমি সমাজটাকেই বদলে দিয়েছ। সব অফিসে কর্ম সংস্কৃতি ফিরে এসেছে। শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছে, মন দিয়ে পড়াচ্ছে, ডিএ নিয়ে ফেসবুকে হতাশা দেখাচ্ছে না। সরকারি অফিসে কাজ হচ্ছে। ছেলেরাও মন দিয়ে পড়ছে। তাই তোমার জন্য এই বিরিয়ানির প্যাকেট এনেছি।
মাঝরাতেই সেই বিরিয়ানি শেষ করে ফেলল কুট্টুস।